advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

৫০০ কোটি টাকার চিনি গুদামে কেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৬ মে ২০১৯ ০৯:১০
advertisement

পাঁচশ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে চিনি আমদানি করে তা গুদামে ফেলে রেখেছে চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন। অগ্রণী ব্যাংক থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে নেওয়া এ ঋণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। তারা জানতে চেয়েছে কার স্বার্থে এ ঋণ নিয়ে চিনি কেনা হয়েছে। তবে এর সদুত্তর দিতে পারেনি করপোরেশন।

গতকাল বুধবার কমিটির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজ সাংবাদিকদের বলেন, ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে কেন চিনি কেনা হলো? সেই চিনি এখনো কেন গুদামে? মিলের উৎপাদিত চিনি বিক্রি হয় না, অথচ দেশের বাইরে থেকে চিনি কিনে গুদামে ফেলে রাখা হয়েছে। এসব প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেনি করপোরেশন। কমিটি এ ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। পরবর্তী বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, চলতি অর্থবছর পর্যন্ত আখচাষিরা করপোরেশনের কাছে ১১৯ কোটি টাকা পাবেন। এর বাইরে বীজ সরবরাহকারীরা প্রায় ৩১ কোটি টাকা পাবেন। করপোরেশনকে ঈদের আগে এ টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। এদিকে বেসরকারি চিনিকল মালিকরা নিয়ম ভঙ্গ করছেন বলে বৈঠকে আলোচনা হয়। নিয়ম অনুযায়ী বিদেশ থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত চিনির ৫০ ভাগ তারা দেশের বাইরে বিক্রি করছেন না বলে বৈঠকে জানানো হয়। কেউ নিয়ম ভাঙলে ব্যবস্থা নিতে বলেছে কমিটি।

বৈঠকে জানানো হয়, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের অধীন কেরু অ্যান্ড কোং মিল ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সাড়ে ৫ কোটি টাকা এবং রেনউইক, যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোং মিল ১ কোটি ৬ লাখ টাকা লাভ করেছে। করপোরেশনের অধীন বাকি ১৪টি প্রতিষ্ঠানই লোকসানে। কমিটির সভাপতি বলেন, প্রতিটি চিনিকলকে বাই প্রডাক্ট উৎপাদনে নজর দিতে বলা হয়েছে। সেটা কেরুর মতো পণ্য বা বিদ্যুৎ যে কোনোটিই হতে পারে।

advertisement