advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কবি সিকান্দার আবু জাফর স্মরণে বক্তৃতানুষ্ঠান

সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক
১৬ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৬ মে ২০১৯ ০০:০৪
advertisement

কবি সিকান্দার আবু জাফর স্মরণে একক বক্তৃতানুষ্ঠান করেছে বাংলা একাডেমি। গতকাল একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। ‘কবি সিকান্দার আবু জাফর ও তাঁর সময়’ শীর্ষক বক্তৃতা প্রদান করেন কবি আসাদ চৌধুরী।

বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কবি রুবী রহমান, কাজী রোজী, ড. ইসরাইল খান, নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক এবং সিকান্দার আবু জাফরের কন্যা কবি সুমী সিকান্দার।

স্বাগত ভাষণে হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, সিকান্দার আবু জাফর ছিলেন বহুমুখী মননের মানুষ। তার কবি ও গীতিকার সত্তা উৎসর্গিত হয়েছে জনমানুষের মুক্তির আহ্বানে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে যেমন তার সাহসী সাহিত্যিক ভূমিকা ছিল, তেমনি তিনি মানুষের মানবিক অধিকারের পক্ষে সব সময় ছিলেন সোচ্চার। তার সম্পাদিত সমকাল বাংলা সাময়িকপত্রের ইতিহাসে অসাধারণ উচ্চতর স্থান অধিকার করে আছে।

কবি আসাদ চৌধুরী বলেন, সিকান্দার আবু জাফরের লেখায় ছিল বাংলাদেশের শোষিত-বঞ্চিত মানুষের মুক্তি, মানবতার জয়গান। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন জাতীয়তাবাদী এবং আন্তর্জাতিকতাবাদী। তাই সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুক্তিকামী মানুষের পক্ষে সোচ্চার ছিল তার ক্ষুরধার কলম। সাম্প্রদায়িকতা, দুর্ভিক্ষ, গণতন্ত্রহীনতা ইত্যাদির বিরুদ্ধে আগাগোড়া সোচ্চার এ সাহিত্যিক নাগরিক অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সব সময় ছিলেন সম্মুখসারির যোদ্ধা।

কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় শিল্প নিয়ে পৌঁছে যাব আমরা উন্নতির শিখরে’ সেøাগানে গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। গতকাল গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মনি স্মৃতি মিলনায়তনে সকাল ৯টায় এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় এবং গোপালগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এতে সদর উপজেলার ১৬টি কওমি মাদ্রাসা অংশগ্রহণ করে। এদিন ক্বিরাত, হামদ-নাত ও কবিতা আবৃত্তি বিষয়ে প্রথম পর্বের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা আল মামুন বিন সালেহর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলাম। এ ছাড়া কার্যনিবাহী সদস্য মঈন আহমেদসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

ক্বিরাত, হামদ-নাত ও কবিতা আবৃত্তিÑ তিনটি বিষয়ের প্রতিটিতে ছোট ও বড় দুটি ভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতা শেষে প্রতিটি বিষয়ে দুই গ্রুপে মোট ১৮ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। এ আয়োজনের দ্বিতীয় পর্বে আগামী জুন মাসে ৪২টি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

advertisement