advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সেবার মাসেই বঞ্চিত ৮০ হাজার গ্রাহক

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি
১৬ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৬ মে ২০১৯ ০০:০৭
advertisement

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশের অন্যতম বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিবিয়ানা-২ ও বিবিয়ানা-৩ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় ৭০০ মেগাওয়াট। আর নবীগঞ্জ উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের ৮০ হাজার ৭৩৩ গ্রাহকের চাহিদা মাত্র ২১ মেগাওয়াট। তার পরও বিদ্যুতের সেবাবঞ্চিত হয়ে ভোগান্তিতে আছেন গ্রাহকরা। দিন নেই রাত নেই, যখন তখন হচ্ছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। অথচ নবীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বড় ব্যানারে সাঁটানো পবিত্র রমজান মাস পল্লী বিদ্যুতের সেবার মাস।

‘বিদ্যুতের জনপদ’-খ্যাত নবীগঞ্জের দুটি থেকে ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রতিদিন যোগ হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎÑ সেøাগানে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি নবীগঞ্জ জোনাল কার্যালয় গত ৫-৬ মাসে ‘আলোর ফেরিওয়ালা’ নামে প্রায় সাড়ে সাতশ নতুন সংযোগ প্রদান করে। এ কাজ এখনো চলমান। সরকারের উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও অব্যাহত লোডশেডিংয়ে সব অর্জন ম্লান হতে বসেছে।

সম্প্রতি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে ক্ষুব্ধ জনতা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিস ঘেরাও করে। এ ছাড়া স্থানীয় এমপি শাহ নেওয়াজ মোহাম্মদ মিলাদ জোনাল অফিসে গিয়ে দুবার ডিজিএমের সঙ্গে সমস্যা সমাধানে বৈঠক করেন। তার পরও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত হয়নি। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ জোনাল অফিসের ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম মোহা. রুহুল আমিন জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে কারও হাত নেই। গ্রাহকসেবা নিশ্চিতে আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আর নবীগঞ্জ জোনাল অফিস হলেও জনবল, যানবাহন ও যন্ত্রপাতি সংকট রয়েছে। তিনি আরও জানান, শায়েস্তাগঞ্জ থেকে নবীগঞ্জ উপকেন্দ্র পর্যন্ত ৫৫ কিলোমিটার ৩৩ কেভি ডাবল ডিজিট লাইনের কাজ চলছে। এ কাজ সম্পন্ন হলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট আর থাকবে না। মাত্র ১০ দিন লাইন বন্ধ করে গ্রিড লাইনের কাজ করতে পারলেই এ সমস্যা আর থাকবে না। এ ছাড়া বিবিয়ানা থেকে নবীগঞ্জ পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার বিকল্প সঞ্চালন লাইনের কাজ চলছে। এ কাজ সম্পন্ন হলে বিকল্প লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হবে। বিদ্যুতের সংকট সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ডিজিএম জানান, নবীগঞ্জে বিদ্যুৎতের লোডশেডিং নেই, তবে বিভ্রাট আছে।

advertisement