advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কাঁচা মরিচের এতগুণ!

অনলাইন ডেস্ক
১৭ মে ২০১৯ ১২:৩৫ | আপডেট: ১৭ মে ২০১৯ ১২:৩৫
advertisement

রান্নার স্বাদ বাড়াতে কাঁচা মরিচের জুরি নেই। তবে মরিচ দিতে হবে পরিমাণ মতো। কারণ, ঝালের পরিমাণ বেশি হলে খাবার মুখে তুলতে পারেন না অনেকেই। এ ছাড়া ঝাল কম হওয়াটাই বিজ্ঞানসম্মত বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। তবে কাঁচা মরিচের এই ঝাঁজ একেক জনের কাছে একেক রকম স্বাদ বয়ে আনে।

কিন্তু এই কাঁচা মরিচ কী শরীরে কোনো উপকারে আসে, না কি তা ক্ষতি করে চলেছে আপনার? চিকিৎসকদের মতে, শুধু স্বাদ বাড়াতেই এই সবজির যাবতীয় ব্যবহার নয় বরং এতে রয়েছে বেশ কিছু স্বাস্থ্যকর দিকও। তবে পরিমাণ মতো ব্যবহার করতে হবে। কারণ, অতিরিক্ত ঝালে ক্ষতি হবে খাদ্যনালীর।

পরিমিত পরিমাণে কাঁচা মরিচ খাওয়ার অনেক ভালো দিকও রয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, অনেক অসুখেরও ওষুধ হিসেবে কাজ করে কাঁচা মরিচ। তবে চলুন জেনে নিই কাঁচা মরিচের ওষুধি গুণের কথা-

হজমক্ষমতাকে সক্রিয় রাখে

অনেকেই জানেন না, কাঁচা মরিচ খাবার হজমে সহায়তা করে। তবে পরিমাণ মতো কাঁচা মরিচ ব্যবহার করতে হবে। তাই হজমক্ষমতাকে সক্রিয় রাখতে তরকারিতে কাঁচা মরিচ ব্যবহার করুন।

মুখে দাগ পড়তে দেয় না

কাঁচা মরিচে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। ভিটামিন থাকায় হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ভিটামিন সি-এর পরিমাণও কাঁচা মরিচে বেশি থাকে। তাই কাঁচা মরিচ মুখে দাগ পড়তে দেয় না।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে

কাঁচা মরিচ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ। ফলে শরীরকে জ্বর,সর্দি-কাশি ইত্যাদি থেকে বাঁচায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে কাঁচা মরিচের হাত ধরে।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে

প্রস্টেট ক্যানসারে ঝুঁকি কমাতে কাঁচা মরিচ কার্যকরী। এ ছাড়াও স্নায়ুরোগ নিরাময়েও কাজে লাগে কাঁচা মরিচ। তাই দীর্ঘমেয়াদী স্নায়বিক অসুখের ওষুধ হিসেবে কাজে আসে এটি।

মন-মেজাজ ভালো রাখে

কাঁচা মরিচ খেলে মস্তিষ্কে সুখী হরমোন এনডরফিন নিঃসৃত হয়। তাই খাবারে স্বাদ যোগ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনটাও আনন্দিত হয়। ভালো খাবারের স্বাদ নেওয়ার পর মন-মেজাজ ভালো রাখার এটাও অন্যতম কারণ।

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে

শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে কাঁচা মরিচ। মরিচের বীজ এই কাজে খুবই কার্যকর। তাই উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলে ভুগতে থাকা রোগীদের খাবারে কাঁচা মরিচের উপস্থিতি কাজে আসে।

তবে খুব বেশি মরিচের ঝাল খেতে না করেছেন চিকিৎসকরা। বিশেষ করে শুকনো মরিচে গুড়া এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শই দিয়েছেন তারা। কারণ, শুকনো মরিচের ঝালে খাদ্যনালীর প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

advertisement