advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ব্যবস্থাপনার ত্রুটিতে নৈরাজ্য

তাওহীদুল ইসলাম
২০ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২০ মে ২০১৯ ০৯:২৯

সড়ক পরিবহন খাতের নৈরাজ্য কমেনি। রমজান এলে যাত্রী দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। কর্মস্থলে পৌঁছা এবং কর্মস্থল থেকে ইফতারের আগে বাসায় ফেরা হয়ে যায় রীতিমতো এক চ্যালেঞ্জ।

গতকাল এ বিষয়ে আমাদের সময়ের সঙ্গে আলাপকালে পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলেন, রাজধানীতে গণপরিবহনে নৈরাজ্য দীর্ঘদিনের। রমজান মাসেও মানুষকে কষ্ট করতে হচ্ছে। বাস-মিনিবাস, সিএনজি অটোরিকশা, সর্বত্র যাত্রী ভোগান্তি। এমনকি চালু হওয়া রাইড শেয়ারিংয়েও এখন আর স্বস্তি নেই। অ্যাপসের পরিবর্তে বিকালে এসব যান চলে চুক্তিতে। এতে নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়েছে।

advertisement

তিনি বলেন, পরিবহন খাতের এ নৈরাজ্যের মূল কারণ ব্যবস্থাপনার ত্রুটি। দক্ষ রেগুলেটরি অথরিটি দরকার। বাংলাদেশ ব্যাংক, বিটিআরসির মতো বডি থাকলে হয়রানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হতো। ড. শামসুল হক বলেন, সড়কে যে-ই গাড়ি নামাক না কেন, বিআরটিএর অনুমতি নেওয়ার কথা। বাস্তবে তা হচ্ছে না। দুর্বলতার পেছনে রয়েছে দক্ষ জনবল ও পেশাদারিত্বের ঘাটতি। যাত্রীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিচ্ছে পরিবহনকর্মীরা। বিআরটিএকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলবে ম্যাজিস্ট্রেট ও জনবলের অভাব। আমি বলব, কেবল এনফোর্সমেন্ট দিয়ে কাজ হলে পুলিশ যে হাজার হাজার মামলা করছে, তা দিয়েই সমাধান হতো। এ জন্য সিস্টেম সঠিক হতে হবে। জনবল, এনফোর্সমেন্ট এবং সিস্টেম, সবগুলোরই প্রয়োজন আছে পরিবহন খাত নিয়ন্ত্রণে।

তিনি বলেন, এমন ব্যক্তিরাই থাকবে অথরিটি হিসেবে, যারা যোগ্য। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যাদের জ্ঞান আছে, তাদের দিয়ে কর্তৃপক্ষ গঠন করা উচিত।