advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিশেষ অভিযান দরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২০ মে ২০১৯ ০৯:২১

পরিবহন সেক্টরে সত্যিই দুরবস্থা। রোজা রেখেও মানুষ স্বস্তিতে কর্মস্থলে যেতে পারছেন না। বাসায় ফিরতেও যুদ্ধ করতে হয়। গতকাল সড়কে নৈরাজ্য ও যাত্রীদের ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরে আমাদের সময়কে এসব কথা বলেন বিআরটিএর সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুবুর রহমান খান।

তিনি বলেন, এখনো সিটিং সার্ভিস স্বীকৃত নয়। অথচ গাড়িগুলো সিটিংয়ের নামে দরজা বন্ধ করে চলে। যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকেন। চুক্তিতে চলা সিএনজি অটোরিকশা-নৈরাজ্য বন্ধ হয়নি আজও। তাদের পছন্দমতো গন্তব্য এবং ভাড়া মেলানো ভাগ্যের ব্যাপার। এটি আদর্শ শহরে চলতে দেওয়া যায় না। এর পর গণপরিবহনে সুবাতাস হিসেবে এলো রাইড শেয়ারিং। ভাড়ায় যাত্রী পরিবহনে এ সার্ভিস এখন অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এখনো অনুমতি ছাড়াই চলছে রাইড শেয়ারিং। তা ছাড়া অ্যাপসের মাধ্যমে হলে যাত্রী ও চালক সবার পরিচয় জানা যায়। কিন্তু চুক্তিতে চলায় গাড়িতে চড়া সত্যিই চিন্তার বিষয়।

তিনি বলেন, এ জন্য আমি মনে করি পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ কাজে লাগাতে হবে। আপাতত রোজার মাসে বিশেষ অভিযান দরকার। বিআরটিএর নিজস্ব ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের ম্যাজিস্ট্রেট মিলে একযোগে অভিযান চালালে রমজান মাসে দুর্ভোগ খানিকটা লাঘব হতে পারে। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। সে জন্য দরকার বিভিন্ন সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন।