advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ফণীদুর্গত এলাকায় কৃষিঋণ আদায় এক বছর স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ মে ২০১৯ ২৩:৩৩
advertisement

ঘূর্ণিঝড় ফণীকবলিত ১৯ জেলায় কৃষিঋণ আদায় এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া ডাউনপেমেন্টের শর্ত শিথিল করে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল, সুদ মওকুফ এবং ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নতুন ঋণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গতকাল রবিবার এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কৃষিঋণ বিভাগ।

সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো ওই সার্কুলারে বলা হয়, সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় ফণীসৃষ্ট ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে দেশের বেশকিছু জেলায় (ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর,

নেত্রকোনা, লক্ষ্মীপুর, বগুড়া, জয়পুরহাট, সাতক্ষীরা, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা, মাদারীপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, বাগেরহাট, খুলনা) কৃষি খাতে ফসলের ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে উল্লিখিত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কৃষি খাতের পুনর্বাসন কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন।

ঘূর্ণিঝড়/জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কৃষিঋণ বিতরণ কার্যক্রম জোরদার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই সার্কুলারে। বলা হয়, কৃষকদের কাছ থেকে ফসল-ঋণ আদায় এক বছর স্থগিত থাকবে। ডাউনপেমেন্টের শর্ত শিথিল করে কৃষকের খেলাপি ঋণ নবায়ন করতে হবে। প্রয়োজন মোতাবেক নতুন ঋণ দিতে হবে। ঋণ পেতে কৃষক যেন হয়রানি ও বিলম্বের শিকার না হন, এ জন্য ব্যাংকগুলোকে শাখা পর্যায়ে

তদারকি বাড়াতে হবে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং ক্ষয়ক্ষতির ধরন বিবেচনা করে প্রয়োজনে সুদ মওকুফের ব্যবস্থা করবেন। নতুন করে কোনো সার্টিফিকেট মামলা দায়ের না করে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে অনাদায়ী ঋণসমূহ তামাদি হওয়া প্রতিবিধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দায়ের করা সার্টিফিকেট মামলার তাগাদা আপাতত বন্ধ রেখে সোলেনামার মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে।

উল্লেখ্য, ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ফণী গত ৪ মে বাংলাদেশের বেশ কটি জেলায় আঘাত হানে। এতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়। ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।