advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঈদের স্পেশাল লঞ্চ ৩০ মে থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২০ মে ২০১৯ ০৯:৩১
advertisement

ঈদ উপলক্ষে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ৪৩টি রুটে স্পেশাল লঞ্চ চলাচল করবে আগামী ৩০ মে থেকে ৮ জুন পর্যন্ত। আর আগাম টিকিট বিক্রি করা হবে ২০ মে থেকে। এ সময় লঞ্চে কোনো মালামাল ও মোটরসাইকেল বহন করা হবে না। এমনকি অতিরিক্ত যাত্রী বহনরোধেও ঢাকা নদীবন্দরে (সদরঘাট) ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

বন্দরে থাকবেন র‌্যাব, পুলিশ, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, আনসার ও রোভার স্কাউটের সদস্যরা। গতকাল রবিবার সদরঘাটে ঈদ প্রস্তুতিসংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের দাবি নিয়ে ওই সভায় হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। লঞ্চ মালিকদের দাবি, ঈদে যেহেতু লঞ্চে মাল পরিবহন করা হয় না, তাই লোডলাইন পর্যন্ত যাত্রী বহন করতে দিতে হবে। এর আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা ম্যাজিস্ট্রেট যাতে লঞ্চ ছাড়তে বাধ্য না করে, সে ব্যবস্থাও নিতে হবে। তবে এ দাবির প্রতিবাদ জানান বিআইডব্লিউটিএ ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

পরে সহনীয় পর্যায়ে যাত্রী পরিবহনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যদিও সভার কার্যপত্রে সার্ভে সনদ অনুযায়ী যাত্রী নেওয়ার কথা বলা হয়। এ ছাড়া সভায় বক্তারা বিগত ঈদে যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ত্রুটি তুলে ধরে তার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় সে বিষয়েও আলোচনা হয়। বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর মাহবুব-উল ইসলামের সভাপতিত্বে ওই সভায় নৌপরিবহন অধিদপ্তর, পুলিশ, র‌্যাব, ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং লঞ্চ মালিক ও শ্রমিক নেতারা অংশ নেন।

লঞ্চ মালিক ও শ্রমিকদের উদ্দেশে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান বলেন, ‘সুন্দর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যাত্রীদের নিরাপদে যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এবার ঈদে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। একটি দুর্ঘটনা সারাদেশের মানুষের আনন্দ ম্লান করে দেবে। তাই কোনো লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হলে আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে। এমনকি নির্দিষ্ট সময়ের আগেই লঞ্চ ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হবে।’

লঞ্চ মালিক বদিউজ্জামান বাদল বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘাটগুলোয় প্রবেশ ফি ৫ টাকার স্থলে ১০ টাকা আদায়ের দৃষ্টান্ত রয়েছে। এ বছর যাতে সেটার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে পদক্ষেপ নিতে হবে।’

advertisement