advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ভূমি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির ৭ উৎস চিহ্নিত

ইউসুফ আরেফিন
২০ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২০ মে ২০১৯ ০৯:০৮
advertisement

দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির ৭টি খাত চিহ্নিত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ভূমি রেজিস্ট্রেশন, নামজারি, ভূমি অধিগ্রহণ, ভূমিকর, ভূমি রেকর্ড, খাস জমি, পরিত্যক্ত ও অর্পিত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা দুর্নীতিতে ডুবে আছে। ২০১৮ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে সংস্থাটি এসব উৎস চিহ্নিতের পাশাপাশি সেগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করার ১০টি সুপারিশও দিয়েছে।

গত ১৩ মে রাষ্ট্রপতির কাছে এ প্রতিবেদন হস্তান্তর করে দুদক। দুর্নীতিরোধের সুপারিশগুলো হলো-আয়কর মেলার আদলে প্রতিবছর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ভূমি অফিস, রেজিস্ট্রেশন অফিস এবং ভূমি জরিপ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে ‘ভূমি সেবা মেলা’ আয়োজন করা; ২৫ বিঘার বেশি জমির মালিকদের ভূমি কর অন্যান্য উপযোগ বিলের মতো ব্যাংকে জমা দেওয়া ব্যবস্থা করা; ভূমি সংক্রান্ত দপ্তরগুলোকে একই ছাতার নিচে এনে প্রচলিত ১৯০৮ সালের ভূমি রেজিস্ট্রেশন আইন সংশোধন করা; খাস, পরিত্যক্ত, হাটবাজার, জলমহাল, বালুমহাল, পাথরমহাল ও অর্পিত সম্পত্তিসহ সরকারি সব সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ ডিজিটাইজ করা; ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য কম্পিউটারনির্ভর ‘ল্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম’ প্রণয়ণ করা; ভূমি জরিপের হালনাগাদকরণ এবং হালানাগাদকৃত বা মূল রেকর্ডপত্রের স্বকীয়তা বজায় রাখতে ‘ল্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম’ ব্যবস্থা গ্রহণ; ডিজিটাইজ ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূমিসংক্রান্ত কার্যালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন; ভূমিসংক্রান্ত প্রতিটি আবেদনের বিপরীতে যথাযথ পরিদর্শপূর্বক রিপোর্ট প্রদানের জন্য পরিদর্শনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ভ্রমণ ভাতাদি ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ করা; ভূমি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ফরম বিনামূল্যে ওয়েবসাইটে প্রদান করা; সরকারি জমিসহ (খাস জমি) অন্যান্য জমির ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ক্ষমতার প্রয়োগের ভারসাম্য আনা এবং সংস্কার করা প্রভৃতি।