advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আ.লীগ নেতাকে না পেয়ে ভাইকে গুলি করে হত্যা

বান্দরবান প্রতিনিধি
২০ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২০ মে ২০১৯ ০০:৫৫
advertisement

বান্দরবানে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে আওয়ামী লীগ নেতার ভাইকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। গত শনিবার রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৮ নম্বর রাবার বাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম ক্য চিং থোয়াই মার্মা (২৭)। তিনি ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চাই পা অং-এর ছোট ভাই। এ নিয়ে ১০ দিনের ব্যবধানে ওই এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিন ব্যক্তি নিহতের ঘটনা ঘটল।

একের পর এক হত্যাকা-ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত ১টার দিকে অস্ত্রধারী কয়েকজন সন্ত্রাসী রাজবিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চাই পা অং কে খোঁজ করে।

তাকে না পেয়ে সন্ত্রাসীরা তার ছোট ভাই ক্য চিং থোয়াইকে ধরে নিয়ে যায়। গতকাল ভোর চারটার দিকে বাসা থেকে এক কিলোমিটার দূরে ৫ নম্বর রাবার বাগান এলাকায় তার লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।

পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠায়। নিহতের বড় ভাই চাই পা অং জানান, রাত ১টার দিকে ৬ অস্ত্রধারী বাড়ি এসে প্রথমে তাকে খোঁজ করে।

তাকে না পেয়ে ছোট ভাই ক্য চিং থোয়াইকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার। তিনি জানান, আদিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ এই হত্যাকা- ঘটিয়েছে।

ওই এলাকায় এর আগেও দুটি হত্যাকা- ঘটেছে। ওই দুটি হত্যাকা-ের পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে একটি সেনা ও পুলিশ ক্যাম্প বসানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। সেনাবাহিনীও তাতে সম্মত হয়েছে।

জায়গা নির্বাচন হলে খুব দ্রুত সেখানে একটি সেনা ও পুলিশ ক্যাম্প হবে। সর্বশেষ হত্যাকা-ের পর ওই এলাকার লোকজন আতংকে রয়েছে। তাদের নিরাপত্তার জন্য ওখানে বাড়তি টহল চালু করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ৯ মে একই এলাকায় সন্ত্রাসীরা জনসংহতি সমিতির সমর্থক জয় মনি তঞ্চঙ্গ্যাকে গুলি করে হত্যা করে। এরও আগে গত ৭ মে সন্ত্রাসীরা জনসংহতি সমিতির কর্মী বিনয় তঞ্চঙ্গ্যাকে গুলি করে হত্যা করে।

এ ছাড়া অপহরণ করা হয় পুরাধন তঞ্চঙ্গ্যা নামের অপর এক কর্মীকে। এখনো তার খোঁজ পাওয়া যায়নি।

advertisement