advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শাহজালালের ট্যাক্সি কাউন্টারে সন্ত্রাসী হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২০ মে ২০১৯ ০৯:৩১
advertisement

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংরক্ষিত এলাকায় অবস্থিত ট্যাক্সি কাউন্টারে দিনে-দুপুরে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ হামলায় দুজন আহত হন।

তারা হলেন-কাউন্টার সুপারভাইজার মো. ফারুক ও গাইডম্যান মো. রুবেল। কেপিআইভুক্ত সংরক্ষিত এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে এ হামলার ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হলেও রহস্যজনক কারণে তাদের ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। আটকরা হলেন-জলিল, কবির, খায়ের, আকবর, খলিল ও হামিদুল।

সূত্র জানিয়েছে, আটকরা সবাই স্থানীয় শ্রমিক লীগের নেতাকর্মী। বিমানবন্দর এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তারা। গতকাল আটকের পর ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক বরকত খান মুচলেকা দিয়ে তাদেরকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন বলে জানা যায়। এর মধ্যে জলিলের বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুরসহ বেশ কিছু অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে। গত এক সপ্তাহেই তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীরা একই থানায় তিনটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলেও জানা যায়।

এভিয়েশন ট্রান্সপোর্ট লিমিটেডের ট্যাক্সি কাউন্টারে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইয়াদুল ইসলাম আমাদের সময়কে বলেন, ‘সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ইজারা নিয়ে দেড় বছর ধরে ট্যাক্সি কাউন্টারটি পরিচালনা করছি। সম্প্রতি একটি সন্ত্রাসী বাহিনী এটি দখলের পাঁয়তারা করছে। রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওই বাহিনীর ২০ থেকে ২৫ সদস্য কাউন্টারে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের ঠেকাতে গেলে মারধরের শিকার হন কাউন্টার সুপারভাইজার মো. ফারুক ও গাইডম্যান মো. রুবেল।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার পর পর পুলিশ ৬ জনকে আটক করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে শ্রমিক লীগ নেতা বরকত খান গিয়ে তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে এসেছেন বলে শুনেছি।’

এ ঘটনার পর থেকে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানান ইয়াদুল ইসলাম। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের বিমানবন্দর জোনের এসি খন্দকার রেজাউল হাসান বলেন, ‘এভিয়েশন ট্রান্সপোর্ট লিমিটেডের ট্যাক্সি কাউন্টারে হামলার পর কয়েকজনকে আটক করা হয়েছিল। তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটাবে না বলে অঙ্গীকার করে মুচলেকা দিলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’