advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চাল আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ মে ২০১৯ ২৩:৩৪
advertisement

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, দেশের কৃষককে বাঁচাতে চাল আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা হবে। তা না হলে দেশের কৃষকরা বাঁচবে না। তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে চাল আমদানিকে নিরুৎসাহিত করা হবে। চাল আমদানি আমরা পুরোপুরে বন্ধ করে দিতে পারি না। তবে নিরুৎসাহিত করতে পারব। গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট

ঘোষণার আগে কৃষি ও এর উপখাতগুলোতে সরকারের বরাদ্দ ও বিশেষ গুরুত্ব প্রস্তাব হিসেবে অর্থমন্ত্রীর কাছে সুপারিশমালা প্রদান করেন কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চাল রপ্তানির দিকে আমাদের জোর দিতে হবে। প্রয়োজনে ভর্তুকি দিয়ে হলেও চাল রপ্তানির পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সরকারিভাবে আমরা এই কাজটি করব। সবজির উৎপাদনও আমাদের অনেক হচ্ছিল। কৃষকরা দাম পাচ্ছিল না এবং এগুলো পচে যাচ্ছিল। আমরা রপ্তানির ব্যবস্থা করলাম। রপ্তানি খরচ দিতে পারে না বলে আমরা সেখানে ভর্তুকি দিচ্ছি। ভর্তুকি দিয়ে আমরা সেই কাজটি করছি। ফলে সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন চার নম্বরে। রপ্তানি করার কারণে এর বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়েছে। সবজিতে অন্তত দামটা পাচ্ছে কৃষকরা। একইভাবে চালেও ভর্তুকি দিয়ে রপ্তানি করা যেতে পারে।

মোস্তফা কামাল আরও বলেন, একটা সময় ছিল যখন সারা বিশ্বে খাদ্যের জন্য হাহাকার ছিল। কিন্তু বর্তমানে সারা বিশ্বেই খাদ্যের উৎপাদন অনেকগুণ বেড়েছে। আল্লাহর রহমতে এ বছর আমরা অনেক বেশি খাদ্যশস্য উৎপাদন করতে পেরেছি। আমাদের যেমন বেশি উৎপাদন হয়েছে, আশপাশের দেশেও খাদ্যশস্যের উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বাইরে যদি চাহিদা থাকত, তা হলে আমরা রপ্তানি করতে পারতাম। বাইরেও সেইভাবে চাহিদা নেই। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে যা যা করা দরকার, সেগুলোর প্রতিফলন আপনারা দেখতে পাবেন। আমার বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অবশ্যই সুবিবেচনা করবেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, সেই ’৯৬ সালে তিনি কৃষি খাতে ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি নেওয়ার যে সাহস করেছিলেন, তখন বিষয়টি সত্যই অকল্পনীয় ছিল, কিন্তু এর ফল এখন আমরা ভোগ করছি। শুধু সবজি নয়, যে বছর যে পণ্য বেশি উৎপাদন হবে, সেগুলোও রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে। তা হলে চাহিদা ও জোগানের মধ্যে ব্যবধানটা হবে না। ন্যায্য দামটা কৃষক পাবেন।

advertisement