advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নৈরাজ্য বন্ধ করা জরুরি

২০ মে ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ২০ মে ২০১৯ ০৯:৫৬
advertisement

পরিবহন খাতের নৈরাজ্যের কারণে রাজধানীবাসীকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। পবিত্র রমজানে ঢাকায় গণপরিবহনের ৯৫ শতাংশ যাত্রী প্রতিদিন যাতায়াতে দুর্ভোগের শিকার হন।

বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির এক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ইফতারের আগে ঘরমুখো মানুষের ব্যস্ততাকে কেন্দ্র করে নৈরাজ্য চলে রাজধানীর গণপরিবহনে। যানজট, গণপরিবহন সংকটের পাশাপাশি বাসকর্মীদের স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্ব্যবহার ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের মতো ঘটনা এই সময়ে নিত্যদিনের চিত্র। এতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের শিকার হন ৯৮ শতাংশ যাত্রী।

গণপরিবহন ব্যবস্থার ওপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ৯০ শতাংশ যাত্রী। ৯০ শতাংশ যাত্রী অভিযোগ করে কোনো প্রতিকার পান না। তাই কেউ অভিযোগ করেন না, যা সত্যি দুঃখজনক। গণপরিবহনের ঝামেলা এড়াতে রাইডশেয়ারিং অ্যাপ বেশ জনপ্রিয়তা পেলেও তারা সেবার মান ধরে রাখতে পারেনি। ইদানীং ভাড়া বেশি, চালকদের দুর্ব্যবহারসহ নানা অভিযোগ আসছে।

রাইডশেয়ারিংয়ের নামে চলাচল করা মোটরবাইকগুলো বিকাল ৪টার পর থেকে অ্যাপের পরিবর্তে মৌখিক চুক্তিতে তিন থেকে চার গুণ অতিরিক্ত ভাড়ায় যাত্রী বহন করছে। রাইডশেয়ারিংয়ের ভাড়া থেকে শুরু করে যাত্রীনিরাপত্তাসহ যাবতীয় বিষয় নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। আশা করি, বিদ্যমান নীতিমালার সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে তারা সেটি করবে।

গণপরিবহনের বেহাল অবস্থার কারণে রাজধানীতে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে, যা যানজট বাড়ার অন্যতম কারণ। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থাপনায় এত অব্যবস্থাপনা রেখে কর্তৃপক্ষ কীভাবে বিকারহীন থাকে? জনস্বার্থে পরিবহন খাতের নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা বন্ধ করা সময়ের দাবি। অন্তত রমজান মাসে যাত্রীদের ভোগান্তির হাত থেকে রেহাই দিতে কঠোর হোন। এ পরিস্থিতির অবসানে আমরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করছি।