advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঝিনুকের অলঙ্কারের আড়ালে কুরিয়ারে ইয়াবার চালান

২০ মে ২০১৯ ০১:২৫
আপডেট: ২০ মে ২০১৯ ০৯:১৭
advertisement

কক্সবাজার থেকে এসএ পরিবহনের কুরিয়ারের মাধ্যমে ইয়াবার চালান ঢাকায় পাঠিয়েছিল দুই মাদক ব্যবসায়ী মীর কাশেম ও মোরশেদ আলী। এর পর তারা উঠে পড়ে ঢাকার উদ্দেশে উড়োজাহাজে। পরিকল্পনা ছিল ঢাকায় নেমে একদিন পর সেই ইয়াবার চালান খালাস করে নেবে তারা। কিন্তু তাদের সে পরিকল্পনা সফল হয়নি। বরং সেই ইয়াবার চালান কুরিয়ার থেকে খালাস
করতে গিয়েই তারা ধরা পড়ে র‌্যাবের জালে।

পরে জানা যায়, এক লাখ পিসের ওই ইয়াবার চালান আনা হয় ঝিনুকের তৈরি কানের দুল ও চুলের ক্লিপের কার্টনে। গতকাল রবিবার উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের আলাওল অ্যাভিনিউয়ের ২০ নম্বর বাড়ির এসএ পরিবহনের অফিসে অভিযান চালিয়ে কাশেম ও মোরশেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

র‌্যাব ৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এমরানুল হাসান জানান, ঈদ উপলক্ষে ইয়াবার একটি বড় চালান ঢাকায় আসবে এমন তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরা এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়। পরে সেখানে এসএ পরিবহনের পার্সেল রিসিভ করতে আসা কাশেম ও মোরশেদকে ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

এমরানুল হাসান বলেন, গত ১৭ মে সন্ধ্যায় কক্সবাজারের লাবণী বিচ এলাকার এসএ পরিবহনের কুরিয়ার সার্ভিসে ঝিনুকের তৈরি কানের দুল ও চুলের ক্লিপের কার্টনে ওই ইয়াবার চালান পাঠিয়েছিল দুই মাদক ব্যবসায়ী। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ঢাকা থেকে ওই পার্সেল গ্রহণ করবে। এ জন্য তারা শনিবার বিকালে বিমানে করে ঢাকায় অবতরণ করে। তিনি আরও বলেন, মাদক পরিবহনে কুরিয়ার সার্ভিসের অবশ্যই গাফিলতি আছে। এসএ পরিবহনের বিরুদ্ধে এর আগেও ইয়াবা পরিবহনের অভিযোগ উঠেছে, ধরাও পড়েছে। কোনো জিনিস পরিবহন যখন হয়, তখন যে নামেই হোক না কেন স্ক্যানারের মাধ্যমে আগে তা দেখা উচিত।

এক প্রশ্নের উত্তরে র‌্যাব-৩ সিও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, তারা এর আগে কয়েকবার কক্সবাজার থেকে বড় কার্টনে করে বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর আড়ালে ইয়াবার চালান এসএ পরিবহনসহ বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঢাকায় এনেছে।

এদিকে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় এসএ পরিবহনের নির্বাহী পরিচালক, উত্তরা শাখার ম্যানেজার ও সহকারী ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব-৩ কার্যালয়ে নেওয়া হয়।