advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

টুইটে ইরানকে ‘ছারখার’ করার হুমকি দিলেন ট্রাম্প

২০ মে ২০১৯ ১১:৩৬
আপডেট: ২০ মে ২০১৯ ১১:৩৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দিন দিন উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। দুদেশের প্রধানরা মুখে মুখে যুদ্ধ না চাওয়ার কথা বললেও পরস্পরকে হুমকি দিয়েই যাচ্ছেন। আজ সোমবার এক টুইটে ইরানকে নতুন করে ধ্বংসাত্মক হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ট্রাম্প তার টুইটে লিখেন, ‘যদি ইরান যুদ্ধ করতে চায়, তাহলে তা হবে আনুষ্ঠানিকভাবে ছারখার হবে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনো হুমকি দিও না।’

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত ইরান-এমনটাই দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত দল রেভ্যুলশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) বা ইসলামি বিপ্লবী বাহিনীর চিফ কমান্ডার হোসেন সালামী।  তিনি বলেন, ইরান বর্তমানে তার অঞ্চলের কাছাকাছি হুমকির মুখোমুখি হচ্ছে এবং আইআরজিসি তা মোকাবেলা করতে প্রস্তুত।

সালামী বলেন, যদিও শত্রুপক্ষ ইরানের সীমান্তের কাছে অবস্থান করছে কিন্তু তাদের যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার ইচ্ছা নেই, কেননা তারা ইরানিদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে ভয় পাচ্ছে।  আমরা যুদ্ধের পক্ষে নই কিন্তু আমরা যুদ্ধের জন্য ভয়ও পাচ্ছি না।’ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র আইআরজিসি’কে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালাতে পারে এমন গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানকে লক্ষ্য করে লোহিত সাগরের সুয়েজ খালে শক্তিশালী রণতরি নিয়ে অবস্থান নিয়েছে মার্কিন নৌবহর। যদিও ইরান মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনকে ভুয়া দাবি করে বলেছে,তাদের স্বল্প দূরত্বের ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন রণতরিকে আঘাত হানার জন্য যথেষ্ট। তবে তারা যুদ্ধ চায় না।

গত বছর ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এই চরম অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তিকে কেন্দ্র করে।  এই চুক্তি লঙ্ঘন করে ইরান ইউরেনিয়াম উৎপাদন করেছে, যা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি ও পারমাণবিক চুল্লির জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করার মতো। এরপরই ইরানের সঙ্গে চুক্তি করা ছয়টি দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেয় এবং ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।