advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসনই ব্যাখ্যা দেবে আশা আইনমন্ত্রীর

নিজস^ প্রতিবেদক
২১ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২১ মে ২০১৯ ০০:৪৬
advertisement

বিচারাধীন বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না- সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসনের এমন নির্দেশনা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হলে তার ব্যাখ্যাও সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন থেকে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। গতকাল সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে

সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে আইনমন্ত্রী এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধান বিচারপতি বলেছেন, যে আলাপচারিতা হচ্ছে এবং কিছুটা যদি ভুল বোঝাবুঝি হয়েও থাকে ব্যাপারটা তাদের বিবেচনায় আছে। আমার মনে হয় এটার ব্যাপারে ব্যাখ্যা পাবেন।

গত ১৬ মে হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় বলা হয়, ইদানীং কোনো কোনো ইলেকট্রনিক মিডিয়া তাদের চ্যানেলে এবং কোনো কোনো প্রিন্ট মিডিয়া তাদের পত্রিকায় বিচারাধীন মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন/স্ক্রল করছে, যা একেবারেই অনভিপ্রেত। এমতাবস্থায় বিচারাধীন কোনো বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন/স্ক্রল করা হতে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। দুই-একটি ব্যতিক্রম বাদ দিলে বাংলাদেশে অধিকাংশ মামলার বিচার

পর্যবেক্ষণ ও সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা ভোগ করে আসছে সংবাদমাধ্যমগুলো। কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন যে নির্দেশনা জারি করেছেন, তাতে বিচার শেষে রায় হওয়ার আগে সাংবাদিকদের আর কোনো মামলার বিষয়ে কোনো সংবাদ প্রকাশের সুযোগ থাকে না। ফলে এর তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানায় আইন-আদালতবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ল রিপোর্টার্স ফোরাম। এ ছাড়াও এডিটরস গিল্ড, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠনও সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করে বিষয়টি স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছে। এই অবস্থায় গতকাল আইনমন্ত্রী সুপ্রিমকোর্টে গিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এদিকে বিচারপতিদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ এলে কী ব্যবস্থা নেওয়ার আছে এ বিষয়ক এক প্রশ্নে আনিসুল হক বলেন, কোনো সমস্যা যদি হয়, তা হলে রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদের অধিকারী। তার কাছে কোনো না কোনো নালিশ পাঠানো যেতে পারে এবং তার যথেষ্ট ক্ষমতা আছে। তা ছাড়া সংবিধানের মধ্য থেকেই তিনি বিবেচনা করতে পারেন। ষোড়শ সংশোধনীর ব্যাপারে যে শূন্যতা, তার কারণে কোনো কিছুই রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো যাবে না, এটা ঠিক নয়।