advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ভারতে পাচারের পথে ৩ রোহিঙ্গা উদ্ধার

চট্টগ্রাম ব্যুরো
২১ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২১ মে ২০১৯ ০০:৪৬
advertisement

আত্মীয়ের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নামে ভারতে পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামে মেয়েসহ রোহিঙ্গা দম্পতিকে উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। পাচারকারী হিসেবে অভিযুক্ত সিলেটের সীমান্ত এলাকার এক গরু ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

গত রবিবার রাতে তিন রোহিঙ্গাকে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন থেকে উদ্ধারের পর অভিযুক্ত পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন আলী হোসেন (৬০), তার স্ত্রী সাহেরা খাতুন (৫৫) ও মেয়ে সাবেকুন নাহার (১৭)। তারা কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

চট্টগ্রামের রেলওয়ে থানার ওসি মোস্তাফিজ ভূঁইয়া জানান, মিয়ানমারে সহিংসতার শিকার হয়ে ২০১৭ সালে তারা কক্সবাজারে অনুপ্রবেশ করেন। আটক আবদুল মান্নান (৩০) সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার দোনা চা-বাগিচা গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে, আলী হোসেনের ভাগ্নে থাকেন ভারতের মেঘালয় প্রদেশে। কক্সবাজার এলাকার সলিম নামে এক মানবপাচারকারী আলী হোসেনের পরিবারকে ভারতে ভাগ্নের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সিলেটের গরু ব্যবসায়ী আবদুল মান্নানের হাতে তুলে দেয়। গত রবিবার রাতে তারা কক্সবাজার থেকে বাসে চট্টগ্রাম এসে রেলস্টেশনে অবস্থান নেন। সেখানে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ভাষা নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় তাদের থানায় নেওয়ার পর তারা সব স্বীকার করে।

ওসি জানান, চট্টগ্রাম থেকে সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে তাদের নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। সিলেটের কানাইঘাটে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে গরু আনা-নেওয়া করেন মান্নান। এর সুবাদে ভারতের গরু ব্যবসায়ী ইমাম হোসেনের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক আছে। রোহিঙ্গাদের কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে ইমামের হাতে তুলে দেওয়ার কথা ছিল।

মেঘালয়ে আলী হোসেনের ভাগ্নে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে আশ্রয় নিয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, কিন্তু ভাগ্নে মেঘালয়ের কোথায় থাকে, এ বিষয়ে কিছুই জানেন না আলী হোসেন। স্বাভাবিকভাবেই তাদের পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করানো হতো। এ ঘটনায় মান্নান ও সলিমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

advertisement