advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বগুড়ায় ফখরুলই বিএনপির যোগ্য প্রার্থী ছিলেন : ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২১ মে ২০১৯ ০০:৪৬
advertisement

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি হিসেবে শপথ না নেওয়ায় শূন্য হওয়া বগুড়া-৬ আসনে তার যথাযথ বিকল্প কোনো প্রার্থী দলটি খুঁজে পাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, সেখানে তার চেয়েও যোগ্য ব্যক্তি কি আসবেন? ফখরুল ইসলামের চেয়েও কি শক্তিশালী কোনো বার্তা নতুন ব্যক্তিটি সংসদে দিতে পারবেনÑ এমন কেউ আসছেন? সেটা তো আমার মনে হয় না।

গতকাল সোমবার সেতু ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ প্রতিক্রিয়া জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভার-ভারত্বের

দিক থেকে আমার মনে হয় মির্জা ফখরুল পারপাসটা ভালোভাবে সার্ভ করতে পারতেন। শক্তিশালী বিরোধী দলের শক্তিশালী বার্তা তিনিই দিতে পারতেন।

আরেক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, আমার মনে হয় এটা শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে যে, তারা (বিএনপি) সংসদে যোগ দিয়েছে। গণফোরামের দুজনও সংসদে এসেছেন। এ অংশগ্রহণ সংখ্যার দিক থেকে নয়, সংসদে যোগদান তাদের বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির পারপাস সার্ভ করার জন্য।

অন্য এক প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৬৭ ভাগ। প্রকল্পের মূল সেতুর অগ্রগতি শতকরা ৭৬ ভাগ, নদীশাসন কাজের অগ্রগতি শতকরা ৫৫ ভাগ, সংযোগ সড়কের অগ্রগতি শতকরা ১০০ ভাগ। নদীর মধ্যে মূল সেতুর ২৬২টি পাইলের মধ্যে ২৩৬টির কাজ শেষ হয়েছে এবং অবশিষ্ট ২৬টি পাইলের কাজ আগামী জুলাই মাসের মধ্যে শেষ হবে। মূল সেতুর ৪২টি পিয়ারের মধ্যে ২৫টির কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী জুন মাসের মধ্যে আরও ৬টি পিয়ারের কাজ শেষ হবে এবং বাকি ১১টির কাজ চলমান। মোট স্প্যান ৪১টি। মাওয়া সাইটে এ পর্যন্ত ট্রাস (স্প্যান) এসেছে ২৩টি, যার মধ্যে ১২টি স্থাপন করা হয়েছে। ফলে এখন সেতুর ১৮০০ মিটার দৃশ্যমান। আজ অথবা আগামীকাল সেতুর ১৩তম স্প্যান স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া অবশিষ্ট স্প্যানগুলোর নির্মাণকাজ চীনে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মাওয়া ও জাজিরা ভায়াডাক্টের পাইলিং এবং পিয়ারের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে পিয়ার ক্যাপ এবং গার্ডার স্থাপনের কাজ চলছে। মোট ১৩ কিলোমিটার নদীশাসন কাজের মধ্যে তিন কিলোমিটার সম্পূর্ণ হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আরও চার কিলোমিটার নদীশাসনের কাজ সম্পন্ন হবে।

মন্ত্রী আরও জানান, গাইবান্ধা এবং জামালপুর জেলার সংযোগকারী যমুনা নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর জন্য বৈদেশিক অর্থসংস্থান করতে পিডিপিপি নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। বৈদেশিক অর্থায়ন নিশ্চিতসাপেক্ষে যথাসময়ে সমীক্ষা শুরুর আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

advertisement