advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রূপপুর প্রকল্পের সঙ্গে বালিশ কেনার সম্পৃক্ততা নেই : সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২১ মে ২০১৯ ০০:৪৬
advertisement

রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন প্রকল্পে আসবাবপত্র কেনা ও তা ভবনে তোলার অবিশ্বাস্য ব্যয়ের ঘটনায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন।

গতকাল সোমবার তিনি আমাদের সময়কে বলেন, রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের সঙ্গে অনেক মন্ত্রণালয় সম্পৃক্ত। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনের বিষয়টি দেখার দায়িত্ব গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের। সেখানে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে সেটা গণপূর্ত মন্ত্রণালয় দেখবে। এসবের সঙ্গে মূল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবু যেহেতু রূপপুর প্রকল্প নিয়ে

আলোচনা হচ্ছে সে জন্য আমরা গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে বলেছি বিষয়টি খতিয়ে দেখতে। কোনো অনিয়ম হলে ব্যবস্থা নিতে।

এদিকে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনকে অনুমাননির্ভর ও কাল্পনিক বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন। গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটির চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক এ দাবি করেন। এতে বলা হয়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে যারা কাজ করছেন তারা পরমাণু শক্তি কমিশনের নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারী। সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের স্বার্থে তাদের এ প্রকল্পে সংযুক্ত করা হয়েছে। তারা সরকার নির্ধারিত বেতনক্রম অনুযায়ী কমিশন থেকে বেতনভাতা নেন। এর বাইরে আর কোনো বেতনভাতা নেন না।

এ ছাড়া নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এসপিসিবিএল) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামো সমধর্মী অন্যান্য পাবলিক কোম্পানির বেতন কাঠামো পর্যালোচনা করে কোম্পানি বোর্ড নির্ধারণ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, উপপ্রকল্প পরিচালক কেউই প্রকল্প থেকে বেতনভাতা নেন না। তারা পরমাণু শক্তি কমিশনের নিয়মিত কর্মকর্তা। তারা কমিশন থেকেই নির্ধারিত স্কেলে বেতনভাতা গ্রহণ করেন। প্রকল্প পরিচালক একইসঙ্গে কোম্পানির এমডিও। কোম্পানির এমডি হিসেবে তিনি কোনো বেতন বা ভাতা কোম্পানি থেকে নেন না। এ ছাড়া একাধিক সংস্থা থেকে বেতনভাতা গ্রহণের কোনো সুযোগ নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নিউক্লিয়ার পাওয়ার কোম্পানিতে এখনও কোনো গাড়িচালক বা বাবুর্চি নিয়োগ করা হয়নি। তাই তাদের বেতনভাতা দেওয়ার প্রসঙ্গটি অবান্তর। তবে ভবিষ্যতে নিয়োগ করা হলে কোম্পানির বেতন কাঠামো অনুযায়ী গাড়িচালক ও বাবুর্চির বেতনভাতা হবে ২৪ হাজার ৪০০ টাকা। প্রকল্পে বর্তমানে যে গাড়িচালক ও বাবুর্চি আছেন তারা মাস্টাররোলে কাজ করছেন। দৈনিক ভিত্তিতে মাসে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৫০০ টাকা পান। প্রকল্প ও কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনভাতা সম্পর্কে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য নিতান্তই কল্পনাপ্রসূত ও প্রকল্পের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করার প্রয়াস বলে বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়।

advertisement