advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কর্ণফুলীসহ পাঁচ নদীর খসড়া মাস্টারপ্ল্যান তৈরি

চট্টগ্রাম ব্যুরো
২১ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২১ মে ২০১৯ ০০:৪৬
advertisement

দেশের অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহখ্যাত কর্ণফুলী, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা, বুড়িগঙ্গাসহ পাঁচ নদীর দখল ও দূষণরোধে খসড়া মাস্টারপ্ল্যান তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলেই এটি প্রকাশ করা হবে। গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান নৌ প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে ছিলেন। তাই খসড়া মাস্টারপ্ল্যান তৈরি থাকলেও উপস্থাপন করতে পারিনি। আশা করছি দু-একদিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দেবেন। কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, মাস্টারপ্ল্যানের কারণে শ্লথ দেখা যাচ্ছে। উচ্ছেদ অভিযান চলবে।

টানা তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে নৌ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান খালেদ মাহমুদ। দায়িত্ব পাওয়ার পর গতকাল প্রথমবারেরর মতো চট্টগ্রাম বন্দরে আসেন তিনি। মতবিনিময়সভা শেষে তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের চলমান দুটি বড় প্রকল্প পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) ও বে-টার্মিনাল ঘুরে দেখেন। এ সময় হুইপ সামশুল হক চৌধুরী, বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল জুলফিকার আজিজসহ বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনী ইশতেহার দেওয়া প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বে-টার্মিনালের কার্যক্রম থেমে নেই। যদিও দৃশ্যমান হয়নি এখনো। ১৩২ বছরের পথচলা বন্দরের। আমরা বিশ্বের ১০০ বন্দরের তালিকায় এসেছি। আমাদের লক্ষ্য শীর্ষ অবস্থানে যাওয়া। এটি প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য। চট্টগ্রাম বন্দর ভালোভাবে চলছে। ভাবনার কিছু নেই। চট্টগ্রাম বন্দর প্রথম অগ্রাধিকার। পর্যায়ক্রমিকভাবে সব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হবে।

এদিকে মতবিনিময়সভায় একাধিক সিবিএ নেতার উপস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি অনুষ্ঠানে সিবিএর এত নেতা থাকতে হবে কেন। এখানে কেবল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক থাকলেই তো হয়। তারাই সবার পক্ষে কথা বলবে। এরই মধ্যে আমার কাছে অনেক দাবি-দাওয়া দেওয়া হয়েছে। আমি সেগুলো বিবেচনা করছি। তিনি বলেন, অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি চট্টগ্রাম বন্দর। আপনারাই হচ্ছেন বন্দরের প্রাণ। মূল কায়িক শ্রমটা আপনারা দেন। কর্মকর্তারা আদেশ দেন, কাগজে-কলমে কাজ করেন। সুতরাং আপনাদের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।