advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দ্রুত ব্যবস্থা নিন

২১ মে ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ২১ মে ২০১৯ ০০:৪৭
advertisement

দুর্নীতি-অনিয়ম যেন সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করছে। ভূমি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি যে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ভূমিসংক্রান্ত যে কোনো সেবা পেতে সেবাপ্রার্থীকে নানা হয়রানির শিকার হতে হয়। অবৈধভাবে খাসজমি দখল থেকে শুরু করে প্রভাবশালীদের নামে জমির নামজারি করার ঘটনাও ঘটে থাকে। মাঠপর্যায়ের ভূমি জরিপকর্মী থেকে শুরু করে সব পর্যায়েই চলে টাকা লেনদেন। ইউনিয়ন পর্যায়ের তহশিল অফিস থেকে শুরু করে সর্বত্র ঘুষের নির্ধারিত প্যাকেজ করা আছে। দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির ৭টি খাত চিহ্নিত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ভূমি রেজিস্ট্রেশন, নামজারি, ভূমি অধিগ্রহণ, ভূমিকর, ভূমি রেকর্ড, খাসজমি, পরিত্যক্ত ও অর্পিত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা দুর্নীতিতে ডুবে আছে। ২০১৮ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে সংস্থাটি এসব উৎস চিহ্নিতের পাশাপাশি তা দুর্নীতিমুক্ত করার ১০টি সুপারিশও দিয়েছে।

দুদকের সুপারিশগুলো হলো ভূমিসংক্রান্ত দপ্তরগুলো একই ছাতার নিচে এনে প্রচলিত ১৯০৮ সালের ভূমি রেজিস্ট্রেশন আইন সংশোধন করা; খাস, পরিত্যক্ত, হাটবাজার, জলমহাল, বালুমহাল, পাথরমহাল ও অর্পিত সম্পত্তিসহ সরকারি সব সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজ করা; প্রভৃতি।

সন্দেহ নেই, দুর্নীতি হচ্ছে দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতির প্রধান অন্তরায়। ভূমিমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই ভূমি ব্যবস্থাপনার সব কিছুই ডিজিটাল করার কথা বলেছিলেন। তবে অগ্রগতি তেমন হয়নি। ভূমিসংক্রান্ত বিষয়গুলো যত দ্রুত ডিজিটালাইজ করা যাবে, মানুষের জন্য ততটাই মঙ্গল বয়ে আনবে। আশা করছি, দুদকের সুপারিশগুলো আমলে নিয়ে সরকার দুর্নীতি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।