advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

থোকায় থোকায় ঝুলছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
২১ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২১ মে ২০১৯ ০০:৪৮
advertisement

বাগানগুলোতে থোকায় থোকায় ঝুলছে গোপালভোগ, ক্ষীরশাপাতি, লখনা, হিমসাগর, ল্যাংড়া, ফজলি, আশ্বিনাসহ বিভিন্ন জাতের সুস্বাদু আম। আর দুই সপ্তাহ পরেই বাজারে উঠতে শুরু করবে মৌসুমি এই ফল। তাই শেষ মুহূর্তের পরিচর্যায় ব্যস্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষি ও বাগান মালিকরা।

এ বছর প্রায় শতভাগ গাছে মুকুল এলেও বৈরী আবহাওয়া এবং গুঁটি অবস্থায় মিজ পোকার আক্রমণে গতবারের চেয়ে এবার আমের উৎপাদন কম হতে পারে বলে মনে করছেন আম চাষি ও বাগান মালিকরা। তবে কৃষি বিভাগের দাবি, আর কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা না দিলে উৎপাদনে তেমন প্রভাব পড়বে না।

বাগান মালিক নুরুল ইসলাম ও আম চাষি বারেক হোসেন জানান, বাগানগুলোয় এবার সময়মতো মুকুল এসেছিল। তবে অনাকাক্সিক্ষত বৃষ্টিপাতে মুকুল ঝরে যাওয়া, গুঁটি অবস্থায় মিজ পোকার আক্রমণ, শিলাবৃষ্টি, চলমান দাবদাহসহ বৈরী আবহাওয়ায় এবার জেলায় আমের উৎপাদন কম হতে পারে। এতে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা। শঙ্কায় রয়েছেন আমের বাজারদর নিয়ে।

এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হুদা জানান, কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা না দিলে সার্বিক উৎপাদনে তেমন প্রভাব পড়বে না। আর রোজার পরই এসব আম বাজারজাত হলে কৃষক ভালো দাম পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণাকেন্দ্র চাঁপাইনবাবগঞ্জের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, আমের ফলন ভালো। ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষায় বাগান মালিক ও চাষিদের বালাইনাশক স্প্রেসহ নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, পোক্ত আম পেতে আরও ২ সপ্তাহ সময় লাগবে এবং সে আমটি হবে সুস্বাদু।

জেলা প্রশাসক এজেডএম নূরুল হক জানান, মানসম্মত আম যাতে ভোক্তার কাছে পৌঁছে, সে লক্ষ্যে বাগান মালিকসহ সবাইকে সচেতন করার পাশাপাশি নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

এ বছর জেলার ৩১ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে এবং ২ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের আশা করছে কৃষি বিভাগ।