advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাণিজ্যের আড়ালে অর্থপাচার ঠেকাতে ‘ডাটা ব্যাংক’ গড়ে তোলার পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২১ মে ২০১৯ ০০:৪৮
advertisement

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে দেশ থেকে অর্থ পাচার হচ্ছে। এই বাণিজ্যকেন্দ্রিক অর্থপাচার রোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব ডাটা ব্যাংক গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে এ ডাটা ব্যাংক যাতে অন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নিজেদের কাজে ব্যবহার করতে পারে, তার উদ্যোগও নিতে হবে। এ ছাড়া অর্থপাচার রোধে ব্যাংকের পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং অন্যান্য সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

রাজধানীর মিরপুরে বিআইবিএম অডিটোরিয়ামে ‘অ্যাড্রেসিং ট্রেড বেজড মানি লন্ডারিং ইন বাংলাদেশ : অ্যান অ্যাসেসমেন্ট’ শীর্ষক ওই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং বিআইবিএম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এসএম মনিরুজ্জামান। এতে অন্যদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা, বিআইবিএমের অধ্যাপক এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. শাহ মো. আহসান হাবীব, পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেলাল আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ইয়াছিন আলি, ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফারুক মাঈনুদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, বাণিজ্যকেন্দ্রিক অর্থপাচার রোধে এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। একটি গাইড তৈরি করছে, যা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সারাবিশ্বে এখন অর্থপাচার একটি চ্যালেঞ্জ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা বলেন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও জনশক্তি নেই। এদিকে নজর দিয়ে ব্যাংকারাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর নির্ভর না করে প্রত্যেক ব্যাংকের নিজস্ব ডাটা ব্যাংক করতে হবে, যা অন্য ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ইয়াছিন আলি বলেন, ক্রেডিট রিপোর্ট ব্যাংকারদের ভালোভাবে জানতে হবে। প্রত্যেক ব্যাংক এলসি খোলার ডাটাবেজ করলে অর্থপাচার রোধে গুরুত্বপূর্ণ আইন করার সময় ব্যাংকিং অপারেশনে যেন কোনো ক্ষতি না হয়, সেদিকটি বিবেচনায় রাখতে হবে। ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি ফারুক মাঈনুদ্দিন আহমেদ বলেন, গ্রাহক এবং ব্যাংকার সব পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। অর্থপাচারের পেছনের কারণগুলো খুঁজে বের করতে হবে।

advertisement