advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

তিন মেগাপ্রকল্পে বাংলাদেশ

আজহারুল ইসলাম অভি
২১ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২১ মে ২০১৯ ১৮:৫৯

দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতির বিকল্প নেই। তাই তথ্যপ্রযুক্তির তিন মেগাপ্রকল্প নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার। এগুলো হলো বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২, সাবমেরিন ক্যাবল-৩ ও নিরাপদ ইন্টারনেট। এর মধ্যে প্রথম দুটির পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। অন্যদিকে নিরাপদ ইন্টারনেট প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন- আজহারুল ইসলাম অভি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ বাংলাদেশের প্রথম যে স্যাটেলাইট, সেটি বঙ্গবন্ধু-১। এটি মূলত একটি কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট। বাংলাদেশে প্রথম এই স্যাটেলাইট নিয়ে কাজ শুরু হয় ২০০৭ সালে। ২০১৩ সালে রাশিয়ার ইন্টারস্পুটনিকের কাছ থেকে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের বর্তমান কক্ষপথটি কেনা হয়। গত বছরের ১১ মে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। কিন্তু এবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহাকাশে দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট পাঠানো হবে।

এটি কমিউনিকেশন, নাকি অবজারভেটরি স্যাটেলাইট হবে- তা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। তবে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মহাকাশে বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট পাঠানো হবে। এর নাম হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২। আমাদের দেশে এখনও কোনো অবজারভেটরি (পর্যবেক্ষণ) বা ওয়েদার (আবহাওয়া) স্যাটেলাইট নেই। এ ধরনের স্যাটেলাইট আমাদের দেশের জন্য খুবই প্রয়োজন। আবহাওয়া খবরের জন্য এখন আমরা জাপানের একটি স্যাটেলাইট থেকে তথ্য নিয়ে থাকি। এ ব্যাপারে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমাদের কী ধরনের স্যাটেলাইট প্রয়োজন, এর একটি খসড়া তৈরি করা হবে। আগামী দুই-এক মাসের মধ্যে এই খসড়া তৈরি হয়ে যাবে।

খসড়া চূড়ান্ত হলেই বোঝা যাবে কোন স্যাটেলাইট মহাকাশে উড়বে।’ নিরাপদ ইন্টারনেট নিরাপদ ইন্টারনেট বিষয়ে সরকার বিশাল এক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ইন্টারনেটে গুজব, অশ্লীল ভিডিও কিংবা নীতিবিরুদ্ধ কাজের ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে এই প্রকল্প সহায়ক হবে। দেশের মানুষের হাতে নিরাপদ ইন্টারনেট পৌঁছে দিতেই নেওয়া হয়েছে এসব উদ্যোগ। এর পাশাপাশি শিশুরা যেন ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকেÑ এ জন্যই কনটেন্ট ফিল্টারিং, পর্নো সাইট বন্ধের কাজে হাত দিয়েছে সরকার। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ হবে। তখন ইন্টারনেট নিরাপদ রাখতে আরও সক্ষমতা অর্জন করবে দেশ। এখন কোনো কিছু ব্লক করতে হলে আইআইজিগুলোকে নির্দেশ দিতে হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এসব নির্দেশনা পাঠাতে হবে না। ডিওটি নিজেরাই বন্ধ করতে সক্ষম হবে। অবশ্য এর কিছু প্রয়োগ শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।