advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাণিজ্য ও বিনিয়োগের উত্তম জায়গা হতে পারে বাংলাদেশ : রাষ্ট্রদূত সোবহান

ইসমাঈল হোসেন স্বপন,ইতালি
২১ মে ২০১৯ ১৫:২৯ | আপডেট: ২১ মে ২০১৯ ১৫:২৯

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের উত্তম জায়গা হিসেবে বাংলাদেশ বিবেচিত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আব্দুস সোবহান শিকদার। ‌

স্থিতিশীল রাজনৈতিক অবস্থা, উৎপাদিত পণ্যের বিশাল বাজার, উৎপাদনের জন্য নিম্ন শ্রম মজুরি এবং সর্বোপরি সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের বিনিয়োগ প্রণোদনা প্যাকেজ রয়েছে বাংলাদেেশে।'
গত শুক্রবার ইতালির রোমে ফ্লোরেন্স চেম্বার ভবনে আয়োজিত বাংলাদেশের উন্নয়ন চিত্র, বিদ্যমান বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ, বিনিয়োগের সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে রাষ্ট্রদূত আব্দুস সোবহান সিকদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সেমিনারে ফ্লোরেন্স চেম্বার অব কমার্স এর নেতৃবৃন্দসহ তুসকানা, উম্ব্রিয়া ও মার্কে অঞ্চলের ২০ জন সফল ইতালিয়ান ব্যবসায়ী অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফ্লোরেন্স চেম্বার অব কমার্স এর জনাব মারিও কুরিয়া । অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ফ্লোরেন্স এর বাংলাদেশের অনারেরি কনসাল জেনারেল অ্যাডভোকেট জর্জিয়া গ্রানাতা।

মান্যবর রাষ্ট্রদূত প্রথমে বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ এবং ভিশন ২০৪১ সম্পর্কে এবং বিগত দশ বছরে বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র ব্যবসায়ীদের কাছে তুলে ধরেন।

মান্যবর রাষ্ট্রদূত বলেন, দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা বৃদ্ধি ও বিনিয়োগের উত্তম ক্ষেত্র হিসেবে বাংলাদেশ বিবেচিত হতে পারে কারণ বাংলাদেশে রয়েছে স্থিতিশীল রাজনৈতিক অবস্থা, উৎপাদিত পণ্যের বিশাল বাজার, উৎপাদনের জন্য নিম্ন শ্রম মজুরি এবং সর্বোপরি সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের বিনিয়োগ প্রণোদনা প্যাকেজ।

সেমিনারে ইকনমিক কাউন্সেলর মানস মিত্র ‘বাংলাদেশ: ডেস্টিনেশন নেক্সট ’ শিরোনামে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন। প্রেজেন্টেশন এর পরে প্রশ্ন-উত্তর পর্ব ও মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন উপস্থিত ব্যবসায়ীরা। মান্যবর রাষ্ট্রদূত ও ইকনমিক কাউন্সেলর ব্যবাসায়ীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন। মুক্ত আলোচনায় ব্যবসায়ীগণ দূতাবাসের এ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ইতালি ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ দূতাবাস ইতালির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে বিশেষ করে মিলান, ভেনিস, নেপলস, জেনোয়া, পালেরমো এবং কাতানিয়া শহরে এ ধরনের সেমিনার আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে।