advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আশ্রয়-প্রশ্রয় পাচ্ছে অপরাধীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ মে ২০১৯ ০৯:২০

অপরাধ বিশ্লেষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক তৌহিদুল হক বলেছেন, সাধারণত উৎসবকেন্দ্রিক আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অপরাধী চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ সময় পরিবহন ব্যবহার করে অপহরণ ও ছিনতাইয়ের ঘটনাগুলো তুলনামূলক বেড়ে যায়।

সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, এ ধরনের ঘটনা তুলনামূলক বৃদ্ধি পেয়েছে। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কালো কাচের মাইক্রোবাস অথবা অনিবন্ধিত গাড়ি ব্যবহার করে প্রায়ই অপহরণ-ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। এতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক নিরাপত্তা থাকছে না। জনশৃঙ্খলায়ও ব্যঘাত ঘটছে। সাধারণের মনে এক ধরনের ভীতি তৈরি হচ্ছে।

advertisement

গতকাল আমাদের সময়ের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। তৌহিদুল হক বলেন, বিষয়টিকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কোনোভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আশ্রয়-প্রশ্রয় অথবা শৈথিল্যতার কারণে এই ধরনের মহলগুলো মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। এই জায়গা থেকে আমরা অনুরোধ রাখি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সব সময়ই সর্তক থাকবেন। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে তারা যেন কোনো গোষ্ঠীকে সহযোগিতা না করেন; সেই সহযোগিতা অর্থের বিনিময়ে হতে পারে, ক্ষমতাকেন্দ্রিক হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধান কাজ হলো জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ নাগরিকদের মনে স্বস্তির জায়গা তৈরি করা। ঈদকে কেন্দ্র করে পরিবহনে নৈরাজ্য, অপহরণ, ছিনতাইয়ের মতো যে বলয় তৈরি হচ্ছে তা যদি বলবৎ থাকে, তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থাহীনতার জায়গা তৈরি হবে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আরও সর্তক হতে হবে এবং জোরদার অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে।