advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে

২৩ মে ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ২৩ মে ২০১৯ ০৯:৪৫

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি প্রথমবারের মতো ২ লাখ কোটি টাকার ঘর ছাড়াল। আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন এডিপিতে পদ্মা সেতু ও সেতুতে রেলসংযোগসহ গুরুত্ব বিবেচনায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে পরিবহন খাতে।

এ ক্ষেত্রে বলা হয়েছে-যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, পদ্মা সেতু ও সেতুতে রেলসংযোগ প্রকল্পের গুরুত্ব বিবেচনায় পরিবহন খাতে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ৫২ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা। তা মোট এডিপির ২৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। অগ্রাধিকার খাত বিবেচনায় বিদ্যুৎ খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৬ হাজার ১৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা। তা মোট এডিপির ১২ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ভৌত পরিকল্পনা, পানি সরবরাহ ও গৃহায়ণ খাতে তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। তা মোট এডিপির ১২ শতাংশ।

অতীতের তুলনায় এবারের এডিপির আকার বড় এবং তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নানামুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ এডিপির আকার বাড়লেও বাস্তবায়ন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়নি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন না হওয়া বাংলাদেশের জন্য যেন একটি স্বাভাবিক ঘটনা। প্রায় প্রতিবছরই এ নিয়ে সরকারের অভ্যন্তরে ও বাইরেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। বাস্তবতা হচ্ছে, এর যেন কোনো ব্যতিক্রম হওয়ার নয়। সমন্বয়হীনতা এডিপি বাস্তবায়নে বড় বাধা। বিষয়টি বৃহৎ জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিধায় এর যথাযথ তদারকি দরকার।

প্রশাসনের গতিশীলতার পাশাপাশি রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রকল্প প্রণয়ন না করে বিদ্যমান বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিতে হবে। উচ্চাভিলাষ পরিহার করতে হবে। চিরাচরিত শ্লথগতি থেকে বেরিয়ে এসে যথাসময়ে বরাদ্দ অর্থের ব্যবহার নিশ্চিত হতে হবে। প্রকল্প গ্রহণে অসতর্কতার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অদক্ষতা ও অদূরদর্শিতার বিষয়গুলোও আমলে নেওয়া প্রয়োজন। প্রকল্পের অগ্রাধিকার বিষয়টিও সমভাবেই গুরুত্বপূর্ণ। এডিপি যেন শ্লথ না হয়ে পড়ে, তা নিশ্চিত করার দায় সরকারেরই।