advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কোনাবাড়ি ও চন্দ্রা ফ্লাইওভার উন্মুক্ত হচ্ছে ২৫ মে

গাজীপুর প্রতিনিধি
২৩ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ মে ২০১৯ ০৯:৪৪
advertisement

দীর্ঘদিনের অবসান ঘটিয়ে আগামী ২৫ মে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের কোনাবাড়ি ও চন্দ্রা ফ্লাইওভার দুটি যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। ওই দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফ্লাইওভার দুটি উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা।

এর ফলে আসন্ন ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষ যানজট থেকে রেহাই পাবে এমনটাই প্রত্যাশা করা হচ্ছে। জানা গেছে, উত্তরবঙ্গের ২৩ জেলার ১১৮টি রুটের পরিবহন চলাচল করে গাজীপুর জেলার ওপর দিয়ে। এ কারণে প্রতিবছর ঈদযাত্রায় ঘরমুখো লাখ লাখ মানুষের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায় গাজীপুরের যানজট।

বিশেষ করে চন্দ্রা, কোনাবাড়ি, কালিয়াকৈর বাইপাসে যানজট যেন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। তবে এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে কাজ চলছে দিনরাত। আগামী দু-একদিনের মধ্যেই পুরো সম্পন্ন হয়ে যাবে ফ্লাইওভারের কাজ, এমনটাই দাবি কর্তৃপক্ষের।

সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প ১-এর অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. জিকরুল হাসান জানান, সাসেক প্রকল্পের আওতায় জয়দেবপুর-এলেঙ্গা মহাসড়কের গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ভোগড়া বাইপাস মোড় থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলছে। পাশাপাশি সড়কের দুই পাশে ধীর গতির যান চলাচলের জন্য পৃথক সার্ভিস লেন তৈরির কাজও চলছে। প্রকল্পের অধীন ১১টি ফ্লাইওভার, ১৩টি আন্ডারপাস, ২৬টি ব্রিজ ও ৭৪টি কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে।

এসব প্রকল্পের ৫৫ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আগামী ২৫ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ি ও চন্দ্রার ফ্লাইওভারসহ চারটি আন্ডারপাস এবং দুটি ব্রিজ যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেবেন। তিনি আরও জানান, চার লেন বিশিষ্ট ৪০টি স্প্যানের কোনাবাড়ি ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৬৪৫ মিটার ও প্রস্থ ১৮ দশমিক ২০ মিটার। এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২১০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

অন্যদিকে সাতটি স্প্যানের কালিয়াকৈরের চন্দ্রায় নির্মিত ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ২৮৮ মিটার এবং প্রস্থ ১৮ দশমিক ২০ মিটার। মহাসড়কের গাজীপুরের কড্ডায় দুই লেন সেতুর পাশে নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ৭০ মিটার ও প্রস্থ ১৪ দশমিক ৭১৫ মিটার এবং ২টি স্প্যান বিশিষ্ট। এ ছাড়া মহাসড়কের গাজীপুরের বাইমাইল এলাকায় বিদ্যমান দুই লেন সেতুর পাশে নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ১২১ মিটার ও প্রস্থ ১৪ দশমিক ৭১৫ মিটার এবং এটি ৫টি স্প্যানের।

অপরদিকে কালিয়াকৈর বাইপাস এলাকায় অ্যাপ্রোচ সড়কসহ আন্ডারপাসটির দৈর্ঘ্য ৪২০ মিটার। এ ছাড়া মির্জাপুর থানার দেওহাটা বাজার ও নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এবং টাঙ্গাইল সদর উপজেলার টাঙ্গাইল বাইপাস এলাকায় আন্ডারপাস যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।