advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রত্যয় নিয়ে মাশরাফির যাত্রা

মাইদুল আলম বাবু
২৩ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ মে ২০১৯ ০০:৪১
advertisement

‘ভাই! আজ কিছু বলব না। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’ গতকাল সকালে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে কালো গাড়িতে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পেঁৗঁছান বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সেনাপতি মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। একেবারে চলেই যাচ্ছিলেন। শেষরক্ষা হলো না! বেরসিক সংবাদমাধ্যমের সামনে দুটি কথা বলতে আবার ফিরে আসতে হলো। মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, ‘আমি তো একবার বলেছি। আমাদের জন্য দোয়া করবেন যেন ভালো খেলতে পারি। বাংলাদেশ দল ভালো করছে। আশা করছি এবার ভালো কিছু হবে।’ এতটুকু বলেই রওনা হলেন বাংলাদেশের স্বপ্নপথের অভিযাত্রী মাশরাফি।

আয়ারল্যান্ডে সিরিজ জয়ের পর মাশরাফি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ব্যক্তিগত কারণেই এ ফেরা। ড্যাশিং ওপেনার তামিমও ছুটিতে। তিনিও দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ দলের অন্য সদস্যরা ইংল্যান্ডের লেস্টারে অনুশীলন করে যাচ্ছে নিবিড়ভাবে। লন্ডনের ওভালে ২ জুন আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে মূলপর্বের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের সঙ্গে লড়বে দক্ষিণ আফ্রিকা। এর আগে ২৬ ও ২৮ মে কার্ডিফে ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। মাশরাফি আজ লন্ডনে অপর ৯ দলের অধিনায়কের সঙ্গে আইসিসির বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেবেন।

১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে গিয়েছিল। ৬ষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ খেলবে লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। প্রতিটি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ গিয়েছে অংশগ্রহণ ও সর্বোচ্চ ভালো খেলার উদ্দেশ্য নিয়ে। এবারই প্রথম রোল উঠেছে, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ জিতেও যেতে পারে! এই কথাটি শোনার পর বুকে কাঁপন ও শরীরে শিহরণ খেলে যায়। অবিশ্বাস্য মনে হতেই পারে। ২০১৫ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল ও ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে মাশরাফিরা সেমিফাইনালে খেলেছে। মাউন্ট এভারেস্ট জয়ের চেয়েও কি কঠিন? গুনে গুনে তো ১০৮টি পদ্ম আনতে বলা হয়নি। একটি শিরোপা, আর সেটি সোনালি! ১৯৮৩-তে কপিল দেব, ’৯২-তে ইমরান, ’৯৬-এ রানাতুঙ্গা ও ২০১১ সালে ধোনির হাতে উঠেছে বিশ্বকাপ। এবার না হয় উঠলই মাশরাফির হাতে!