advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

হত্যার পর সাত টুকরা সাবেক স্ত্রীসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

আদালত প্রতিবেদক
২৪ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ মে ২০১৯ ০৯:০০
advertisement

তালাক দেওয়ার পর স্ত্রীকে বিরক্ত করায় সাবেক স্বামী মনির হোসেনকে হত্যার পর কেটে সাত টুকরা করা মামলায় নিহতের সাবেক স্ত্রীসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা আদালতের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিতরা হলেন নিহত মনির হোসেনের তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী স্বর্ণা আক্তার কাকলী ওরফে নীপা (২৭), নীপার স্বামী মো. শরিফ মাতুব্বর ওরফে শরীফ (৩২), শরীফের বন্ধু আনোয়ার হোসেন মোল্লা ওরফে গ্রাম সরকার (৩৮) ও মো. ইব্রাহিম খলিল (২৭)। ওই ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আবু আব্দুল্লাহ ভূঞা বলেন, দণ্ডিত আসামিদের মধ্যে শরীফ ও ইব্রাহিম পলাতক।

রায় ঘোষণার সময় নীপা ও আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। ২০১৩ সালের ১৮ এপ্রিল পুলিশ কামরাঙ্গীরচর থানাধীন মুন্সিহাট নদীর পাড় থেকে মনির হোসেনের সাত খণ্ডের লাশ উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় পর দিন ১৯ এপ্রিল নিহতের স্ত্রী হাসিনা বেগম একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে আসামি আনোয়ার, নীপা ও শরীফ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

স্বীকারোক্তিতে নীপা জানান, ২০০৯ সালে বান্ধবী রিতার মাধ্যমে মনিরের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে মনিরকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর জানতে পারেন মনিরের আগের স্ত্রী ও সন্তান আছে। বিয়ের পর থেকে মনির নীপার ওপর অত্যাচার ও নির্যাতন করার কারণে তিনি মনিরকে তালাক দিয়ে শরীফকে বিয়ে করেন। কিন্তু তালাকের পরও মনির নীপাকে বিরক্ত করায় ২০১৩ সালের ১৭ এপ্রিল নীপা মনিরকে হুজুরপাড়া রোডের ভাড়া বাসায় ডেকে আনেন। বাসায় আসার পর আসামি ইব্রাহিম মনিরকে বেঁধে ফেলেন। আনোয়ার বালিশ চাপা দেন এবং নীপা মুখ চেপে ধরেন আর শরীফ গলায় ছুরি চালিয়ে দুই ভাগ করে ফেলেন।

পরে মনিরের লাশ আরও ছয় টুকরা করে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন মুন্সিহাট নদীর পাড়ে লাশ ফেলে রাখেন তারা। মামলাটি তদন্তের পর ২০১৪ সালের ১৪ মে পুলিশ আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটির বিচারকালে আদালত চার্জশিটের ৩৯ সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

advertisement
Evall
advertisement