advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আজ থাইল্যান্ড যাচ্ছেন মামুনুলরা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
২৪ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ মে ২০১৯ ০৯:০৯
advertisement

কাতার বিশ্বকাপ ২০২২ প্রাক বাছাইপর্বে লাওসের বিপক্ষে ম্যাচ সামনে রেখে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে বাংলাদেশের। ৬ জুন ভিয়েনতিয়েনে খেলতে নামবে জেমি ডের দল। অ্যাওয়ে ম্যাচটি খেলে ১১ জুন ঘরের মাঠে ফিরতিপর্বে লাওসকে আতিথ্য দেবে লাল-সবুজরা। ম্যাচটি সামনে রেখে ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

দলে নতুন মুখ আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের আক্রমণভাগের খেলোয়াড় আরিফুর রহমান এবং সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের ডিফেন্ডার রিয়াদুল হাসান রাফি। ২৩ সদস্যের দলটি আজ থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বে। ব্যাংককে ১০ দিনের অনুশীলন ক্যাম্প করবে জেমি ডের শিষ্যরা। ৩ জুন পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করবে দল।

ব্যাংককে অনুশীলন ক্যাম্পের পাশাপাশি স্থানীয় ক্লাব দলের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ খেলবে। এর পর সেখান থেকে দল যাবে লাওসে। এশিয়া অঞ্চলে র‌্যাংকিংয়ে সেরা ৩৪ নম্বরে থাকায় গত রাশিয়া বিশ্বকাপে বাছাইপর্বের দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে শুরু করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এবার র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকায় বাছাইপর্বের প্রথম ধাপ অর্থাৎ প্রাক-বাছাই দিয়ে শুরু করতে হচ্ছে। গতবার বাজে পারফরম্যান্স করে ফিফা-এএফসি আন্তর্জাতিক ম্যাচ থেকে তিন বছরের জন্য নির্বাসনে ছিল জাতীয় দল।

এবার প্রাক-বাছাইপর্বে লাওসকে হারাতে না পারলে আবারও পিছিয়ে পড়বে দেশের ফুটবল। বিষয়টি ভালোভাবেই জানা কোচ জেমির। থাইল্যান্ডের উদ্দেশে যাত্রা করার আগে গতকাল আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন কোচ জেমি ডে এবং অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। সংবাদ সম্মেলনে বাফুফের সহসভাপতি তাবিথ আউয়াল ও সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ উপস্থিত ছিলেন। লাওস ম্যাচটিকে গুরুত্ব সহকারে দেখছেন জেমি ডে। ম্যাচটি সামনে রেখে ২৩ সদস্যের যে দল গঠিত হয়েছে; তা নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন। লাওস ম্যাচে চ্যালেঞ্জ থাকলেও কোনো ধরনের চাপ অনুভব করছেন না। ম্যাচ খেলার জন্য তার দল প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন জেমি।

জাতীয় দল সবশেষ গত মার্চে কম্বোডিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ খেলেছিল। সেই ম্যাচে ডাগআউটে ছিলেন জেমি। ওই ম্যাচে খেলেছিলেন ডিফেন্ডার তপু বর্মণ ও মিডফিল্ডার আতিকুর রহমান ফাহাদ। ইনজুরির কারণে এই দুই খেলোয়াড়কে লাওস ম্যাচে পাচ্ছেন না কোচ। তপু-ফাহাদকে দলের সেরা অস্ত্র মানলেও বর্তমান দলে যারা জায়গা পেয়েছেন তাদের ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে জেমির। ৬ জুন প্রথম লেগে লাওসের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। প্রথম লেগে জয় দিয়ে শুরুর প্রত্যয় ছিল কোচের কণ্ঠে। লাওসের মাঠ থেকে ৩ পয়েন্ট তুলে এনে এর পর নিজেদের ঘরের মাঠে প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করার পরিকল্পনা জেমির।

কোচের অভিন্ন সুরে কথা বলেছেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া, ‘লাওস ম্যাচটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে দেশকে ভালো কিছু এনে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি। তপু এবং ফাহাদকে এই ম্যাচে খুব মিস করব। তপু আমাদের দলের খুবই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়।’

জেমির সঙ্গে আরও এক বছরের চুক্তি করেছে বাফুফে। ২০২০ সালের মে পর্যন্ত লাল-সবুজদের সঙ্গে আছেন এই ইংলিশ কোচ। নতুন চুক্তিতে কতটুকু সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পেল জেমির, সেই ব্যাপারে কোনো কথা বলেননি বাফুফে সহসভাপতি তাবিথ আউয়াল। লাওসের বিপক্ষে যদি বাংলাদেশ খারাপ ফলও করে তার পরও দায়িত্বে বহাল থাকবেন জেমি।

বাংলাদেশ দল আশরাফুল রানা, আনিসুর জিকো, মাজহারুল হিমেল, টুটুল বাদশা, সুশান্ত ত্রিপুরা, বিশ্বনাথ ঘোষ, ইয়াসিন খান, রহমত মিয়া, রিয়াদুল হাসান, নাসির চৌধুরী, ইমন মাহমুদ, সোহেল রানা, জামাল ভূঁইয়া, রবিউল হাসান, মাসুক মিয়া, মামুনুল ইসলাম, নাবিব জীবন, সুফিল, মতিন, তৌহিদুল সবুজ, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, বিপলু এবং আরিফ।