advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

এলিজাবেথের দেশে আবার বিশ্বকাপ

মাইদুল আলম বাবু,লন্ডন থেকে
২৪ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ মে ২০১৯ ০৮:৫৬
advertisement

ক্রিকেটের আঁতুড়ঘরে আবার ফিরেছে বিশ্বকাপ। আর ছয় দিন পর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হবে। তর সইছে না। খেলাটা শুধুই ক্রিকেট বিষয়টি এমন না, আবেগের আবিরও লেগে আছে। নিয়মশৃঙ্খলার শিকলে বাঁধা ‘সিটি অব আর্থ’খ্যাত লন্ডনে সেভাবে টের পাওয়ার জো নেই। লর্ডস ও ওভাল সেজেছে। লর্ডসের প্রবেশপথেই লেখা আছে, হোম অব ক্রিকেট।

বিশাল বোর্ডে লেখা আছে, ‘স্বাগত বিশ্বকাপ’। বাংলাদেশ কার্ডিফে চলে যাবে। সেখানে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। ২৬ মে পাকিস্তানের এবং ২৮ মে ভারতের বিপক্ষে খেলে লন্ডনে ফিরবে বাংলাদেশ। ওভালে ২ জুন উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ আসরে অংশ নেয়। সেবারও ইংল্যান্ড ম্যাচ আয়োজন করেছিল যৌথভাবে।

মহামান্য রানি এলিজাবেথের দেশে এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো বিশ্বকাপ আসর বসতে যাচ্ছে। প্রথম আসরে বাংলাদেশ চমক উপহার দিয়েছিল। পাকিস্তানকে হারিয়ে দেয় পাইলট-বুলবুল-সুজন-নান্নু-আকরামের বাংলাদেশ। মাশরাফির নেতৃত্বে যে স্কোয়াডটি যুক্তরাজ্যে খেলবে সেটা চমক উপহার দেবে বেশ মনে হচ্ছে। এই বেশ মনে হওয়ার কারণ বিশ্বকাপের আগের তিনটি টুর্নামেন্ট। ২০১৫ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছে।

২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিতে খেলেছে টাইগাররা। এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারত বেগতিক পর্যায়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতে নেয়। আকাশ চোপড়া থেকে অনিল কুম্বলে সবাই মাশরাফিদের সমীহ করার কথাই বলছেন। বাংলাদেশকে এই বিশ্বকাপে ‘আন্ডারডগ’ মনে করলে সবচেয়ে বড় ভুল হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। লন্ডনে ধীরে ধীরে গ্রীষ্ম আসছে। বিশ্বকাপের রঙ লাগছে। ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে অবশ্য এ রঙ অনেক আগেই লেগেছে। প্রতিটি দল এসে পৌঁছেছে ক্রিকেটের জন্মভূমি ও রানি এলিজাবেথের শহরে। এখন শুধুই ক্ষণগণনা, লড়াই শুরুর অপেক্ষা।

advertisement