advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঈদযাত্রায় কিছুটা দুর্ভোগ হতে পারে সড়কমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ মে ২০১৯ ০৯:১৮
advertisement

আসন্ন ঈদযাত্রা আরামদায়ক না হলেও স্বস্তির যেন হয়, এ জন্য সজাগ থাকতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গতকাল দুপুরে রাজধানীর বনানী বিআরটিএ ভবনে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্নে করতে ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সভা শেষে তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেছেন, এবার ঈদে উত্তরাঞ্চলের পথে যাত্রায় টঙ্গী-গাজীপুরে সড়ক সমস্যার কারণ হতে পারে। রাজধানী থকে আব্দুল্লাহপুর হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের, মানিকগঞ্জ পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌরুটের বেশিরভাগ যানবাহন এই পথেই বের হয়। ঢাকার বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর পর্যন্ত রোড ট্রানজিটের কাজ চলায় ঈদযাত্রায় কিছুটা দুর্ভোগ হতে পারে। ওবায়দুল কাদের বলেন, রোড ট্রানজিটের কাজ চলমান থাকার কারণে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। আমি উদ্বিগ্ন এবং আমার আশঙ্কা হলো-টঙ্গি গাজীপুর রাস্তা নিয়ে। এ ছাড়া সারাদেশের আর কোথাও কোনো সমস্যা হবে না। আমরা আশা করছি গাজীপুরের মেয়র, পুলিশ ও বিআরটিএ সেটা সমাধান করবে।

তিনি আরও বলেন, আমি বাস মালিক ও গাড়ি চালকদের অনুরোধ করব, সড়কে গাড়ি যেন নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলে। নিরাপদ সড়ক করতে মালিকরাও বড় ভূমিকা রাখতে পারে। যেন মানুষ ভোগান্তির শিকার না হয়, তার খেয়াল রাখতে হবে। সেতুমন্ত্রী বলেন, সড়ক পরিবহন আইন যেটি সংসদে পাস হয়েছে, সংশ্লিষ্ট চার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বসে তার যুক্তিযুক্ত সমাধান করবেন। আইনমন্ত্রী এটি বিশেষ করে দেখবেন। আইনানুগভাবে সড়ক পরিবহন বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

আন্তঃজেলায় নিয়ম-কানুন মেনে গাড়ি চালানোর অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ঈদ এলেই লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ি নামানো হয়, এটা যেন করা না হয়। গাজীপুরের কোনাবাড়ী ও এলেঙ্গা ফ্লাইওভার ২৫ মে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, দুই ফ্লাইওভার ও চার আন্ডারপাস চালু হওয়ায় এবারে উত্তরের ঈদযাত্রা নিরাপদ হবে।

নির্ধারিত সময়ের ছয় মাস আগেই মেঘনা ও গোমতী সেতুর কাজ সম্পন্ন করায় জাপানি কোম্পানির সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগে কাজ সম্পন্ন করা একটি বিরল ঘটনা। ফলে রাষ্ট্রের সাশ্রয় হয়েছে ৭২০ কোটি টাকা। এ জন্য আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই।

advertisement