advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিমানবন্দরে অস্ত্র নিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক,রাজশাহী
২৪ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ মে ২০১৯ ১০:২৫
advertisement

রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (র) বিমানবন্দরে অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করেছেন সাবেক এক সেনা কর্মকর্তা। বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় নিয়োজিত সিভিল এভিয়েশনের কর্মীদের দাবি, অস্ত্রের বিষয়টি অবহিত না করেই তিনি বিমানবন্দরে ঢুকছিলেন।

স্ক্যানিংয়ে ধরা পড়ার পর সেটি জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন ও ২৭ রাউন্ড গুলি আছে। পিস্তলের ভেতরের একটি ম্যাগজিনে ছিল সাত রাউন্ড গুলি। আর যে ব্যাগে পিস্তলটি ছিল সেখানে আরও একটি অতিরিক্ত ম্যাগজিনে ছিল সাত রাউন্ড গুলি।

এ ছাড়া একটি কার্টুনে রাখা ছিল বাকি ১৩ রাউন্ড গুলি। এসবই ছিল একটি ব্যাগের ভেতর। এসএম হাসান নামে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ওই মেজর গতকাল অস্ত্র ও গুলি নিয়ে ঢাকা যাচ্ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁ।

এখন তিনি রাজশাহী মহানগরীর উপশহরে বসবাস করেন। প্রায় ৬৫ বছর বয়সী হাসান এখন ব্যবসায়ী। তার দাবি, বিমানবন্দরে ঢোকার সময় তিনি অস্ত্র থাকার বিষয়টি নিরাপত্তাকর্মীদের জানিয়েছিলেন।

তবে সিভিল এভিয়েশন তার দাবি নাকচ করে দিয়েছে। হযরত শাহমখদুম (র) বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক সেতাফুর রহমান জানান, এসএম হাসান নভোএয়ারের একটি ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন। গতকাল বেলা ১১টায় বিমানটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রাজশাহী ছাড়ে।

এর আগে সকাল ৯টা ৫৪ মিনিটে বিমানবন্দরে আসেন হাসান। বিমানবন্দরে প্রবেশের সময় প্রথম স্ক্যানিংয়েই তার ব্যাগে অস্ত্র ধরা পড়ে। তখন সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা কর্মী মাজেদুল ইসলাম তাকে আটকান।

খবর পেয়ে তিনি (ব্যবস্থাপক) সেখানে ছুটে যান। এ সময় এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকীকেও ডাকা হয়। বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক আরো বলেন, এসএম হাসানের বয়স অনেক। চিকিৎসার জন্য তিনি একাই ঢাকা যাচ্ছিলেন।

তবে অসৎ কোনো উদ্দেশ্যে অস্ত্র ছিল বলে আমাদের কাছে মনে হয়নি। তারপরেও তাকে অস্ত্র নিয়ে যেতে দেওয়া হয়নি। অস্ত্র এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে পরে এসএম হাসানকে তা বুঝে নিতে হবে।

এয়ারপোর্ট থানার ওসি নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, অস্ত্র বৈধ হলেও ওই যাত্রী বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মীদের অবহিত করেছিলেন কি না তা তদন্ত করে দেখার প্রয়োজন আছে। আমরা সেটা অবশ্যই তদন্ত করে দেখব। এরপরই ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।