advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিপুল উত্থান বিজেপির

আমাদের সময় ডেস্ক
২৪ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ মে ২০১৯ ০৮:৫৫
advertisement

ভারতে লোকসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগিয়ে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। তবে তাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য বলা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের অভূতপূর্ব উত্থানকে। রাজ্যটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীদের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছে তারা।

বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা পর্যন্ত আনন্দবাজারের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যটিতে তৃণমূল ২২টি, বিজেপি ১৮টি এবং কংগ্রেস মাত্র ২টি আসনে এগিয়ে ছিল। তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, একসময় রাজ্যে প্রবল প্রতাপশালী বামরা এবার একটিও আসন নিজেদের করে রাখতে পারেনি। অথচ ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে মাত্র ২টি আসন পেয়েছিল বিজেপি, আর তৃণমূলের আসন ছিল ৩৪টি।

কংগ্রেস পেয়েছিল ৪টি আর বামেরা ২টি আসন। তবে এবার সপ্তম দফার ভোটগ্রহণের পর প্রকাশিত বুথফেরত জরিপেই আভাস পাওয়া গিয়েছিল বাংলায় উঠতে যাচ্ছে বিজেপির গেরুয়া ঝড়। অনেকে তখন এটি বিশ্বাস না করলেও গতকালের বেসরকারি ফলে তা প্রমাণিত হলো। আনন্দবাজার জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে রাজ্যে ভোটপ্রাপ্তির হারে বিজেপির পক্ষে ভোট পড়েছে ৩৯ শতাংশের কাছাকাছি। তৃণমূলের ভোটপ্রাপ্তির হার ৪৫ শতাংশের কাছাকাছি। রাজ্যের শাসক দলের ভোটপ্রাপ্তির এই হার বেশ কিছুটা মিলছে ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে।

সেবার বামদের বিপর্যস্ত করে তৃণমূল ইঙ্গিত দিয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন আসন্ন। সেবার তৃণমূলের ভোটপ্রাপ্তির হার ছিল ৩১ দশমিক ১৮ শতাংশ। এদিকে রাজ্যে বিজেপির এই উত্থানে নিশ্চিতভাবেই ধাক্কা খেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল। এখনো দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া না জানালেও বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন মমতা। এদিন মমতার টুইটার পোস্টে ছিল আসন্ন হারে বিষাদের ছায়া। তৃণমূল নেত্রী লিখেছেন, ‘বিজয়ীদের অভিনন্দন। পরাজিত হওয়া মানেই হার নয়। বিষয়টি পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করা দরকার। তার পর নিজেদের মতামত জানাব। আগে গণনা প্রক্রিয়া শেষ হোক। মিলিয়ে দেখা হোক ভিভিপ্যাটগুলো।’

advertisement