advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নির্বিঘ্ন হোক বাড়ি ফেরা

২৫ মে ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ২৫ মে ২০১৯ ০৯:৩০
advertisement

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন এগিয়ে আসছে, সেই সঙ্গে মানুষের মনে শঙ্কাও বাড়ছে। প্রথমত, যানবাহনের টিকিট সংগ্রহ করার ঝক্কি ও অনিশ্চয়তা; দ্বিতীয়ত, সড়ক-মহাসড়ক, লঞ্চঘাট-ফেরিঘাটে যানজট ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ থেকে সৃষ্ট বাধা-বিপত্তি। ঈদের সপ্তাহ দুই আগে থেকেই সংবাদমাধ্যমে ঈদযাত্রায় ভোগান্তির আশঙ্কা প্রকাশ পাচ্ছে। তবে ইতোমধ্যে ঈদযাত্রা যেন স্বস্তির হয়, এজন্য সজাগ থাকতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

প্রতিবছরই ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হওয়ায় ঈদে ঘরমুখো মানুষের চিন্তার অন্ত থাকে না। বস্তুত ঈদের আগে যানবাহনের টিকিট কালোবাজারি, যানজট, ছিনতাই-ডাকাতি ও চাঁদাবাজি, জাল নোটের বিস্তার, সড়ক ও লঞ্চ দুর্ঘটনা বৃদ্ধিসহ অন্যান্য ঘটনায় জনদুর্ভোগ চরমে ওঠে। প্রশাসন ও পুলিশ, উভয় বিভাগের দায়িত্ব জনগণের চলাচলসহ সব কিছু স্বাভাবিক ও সহজ করা। সরকারকে জনসাধারণের দুর্ভোগ কমাতে সত্যিকারের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিতে হবে। ভাঙাচোরা সড়কে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে খুশির ঈদ যেন অপ্রত্যাশিত শোকে পরিণত না হয়, সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

এ ছাড়া দুর্নীতির দায়ে দুষ্ট ও দায়িত্বে অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে প্রশাসনিক পর্যায় থেকে আলাদা কমিটি গঠন করে তাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করতে হবে। যোগ্য ব্যক্তিকে নির্বাচন করে দায়িত্ব দিতে হবে। নদীপথে ফিটনেসবিহীন লঞ্চ আর সড়কপথে এ ধরনের বাস নামছে কিনা, খেয়াল রাখতে হবে সেসব অব্যবস্থাপনার দিকেও। বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢাকা ছাড়বেন, এটাই বাস্তবতা। তাদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে যা কিছু করা প্রয়োজন তার সবই করা হবে, এটাই কাম্য।