advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দৌলতদিয়ার ৬ ফেরি ডকইয়ার্ডে ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তির আশঙ্কা

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
২৫ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৫ মে ২০১৯ ০০:০৫
advertisement

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ৬টি বড় রো রো ফেরি দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে ধীর গতিতে মেরামতের কাজ চলছে। গতকাল শনিবার দুপুর পর্যন্ত অন্য একটি ছোট ফেরি সন্ধ্যা মালতি পাটুরিয়া ভাসমান কারখানায় মেরামতকাজ চলছিল। সরকার দুই বছর আগে ওই ছোট ফেরিটি ক্রয় করে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে চালু করে। ৪-৫টি যানবাহন পারাপার করা গেলেও জ্বালানি খরচ অত্যাধিক। তদুপরি ঘন ঘন অচল হয়ে পড়ে। রাত্রে চলাচলেরও অনুপযোগী। ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরবিচ্ছিন্ন যাতায়াতের ব্যবস্থা রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন গ্রহণ করলেও ফেরি স্বল্পতার কারণে সব আয়োজনই ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরিগুলোর অধিকাংশের মেয়াদ উত্তীর্ণ। লক্কড়-ঝক্কড় ফেরি দিয়ে ঈদে ঘরম–খী মানুষের পারাপারের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বিআইডব্লিউটিসি। ঈদ উপলক্ষে ২০টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপারের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান, শাহ পরান, শাহ জালাল, এনায়েতপুর, আমানত শাহ ও ভাষাসৈনিক গোলাম মওলা নামক রো রো ফেরিগুলো দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে মেরামতের কাজ চলছে।

পাটুরিয়া ভাসমান কারখানার নির্বাহী প্রকৌশলী এনামুল হক অপু জানান, আমানত শাহ ফেরি ২-১ দিনের মধ্যেই নারায়ণগঞ্জ থেকে পাটুরিয়ায় এসে পৌঁছবে।

দৌলতদিয়া বিআইডব্লিউটিসির টিও মো. শফিকুর ইসলাম জানান, দৌলদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ছোট-বড় ১৫টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।