advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ইসিপি সিস্টেম প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৫ মে ২০১৯ ০৯:৩৭
advertisement

রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকা-ের ঘটনায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন খাদেমসহ অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়ী বলে প্রতিবেদন দিয়েছে এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে করণীয় তুলে ধরে আমাদের সময়ের সঙ্গে কথা বলেছেন রাজউকের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. এমদাদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, প্ল্যান অ্যাপ্রোভাল সিস্টেমটা টোটালি ইলেক্ট্রনিক সিস্টেমে নিয়ে আসতে হবে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সাহায্যে অলরেডি আরবান ভিজিলিয়েন্স প্রজেক্ট নামে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এতে প্ল্যান পাসের পুরোটাই হবে ইলেক্ট্রনিক সিস্টেমে। এর পুরো নাম হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক কনস্ট্রাকশন পারমিট (ইসিপি) সিস্টেম। তিনি বলেন, এতে করে ঘরে বসে বা অফিসে এসে দালালের মাধ্যমে ইচ্ছে করলেই কাজ করার সুযোগ থাকবে না। এই সিস্টেমে পনেরো তলা, আঠারো তলা, বা একুশ তলা বিল্ডিংয়ের ক্ষেত্রে কোন এলাকায় কতটা হাইটের বিল্ডিং হবে তাও উল্লেখ থাকবে।

এমদাদুল ইসলাম বলেন, ইসিপি সিস্টেমে ফায়ার ফাইটিংয়ের নকশাও থাকবে। এটা নিয়ে কাজ হচ্ছে। ইতোমধ্যে এর অগ্রগতি হয়েছে। মানুষজন প্ল্যান জমা দিলে মোবাইলে মেসেজ চলে আসবে। ব্যাংকিং সিস্টেমের মতো। অর্থাৎ প্ল্যান রেডি হলে, পাস হলে বা প্ল্যানে কোনো সমস্যা থাকলে মেসেজ চলে যাবে। এতে হয়রানিটা অনেকাংশে কমে যাবে। প্ল্যান পাসের যে কমিটি থাকবে তারাও অনলাইনে তাদের মতামত দেবে। কমিটির সবাইকে একসঙ্গে মিটিং করতে হবে না। সব ধরনের প্ল্যানই একসঙ্গে ইনক্লুড থাকবে। কমিটির সদস্যর জন্যও মতামত দেওয়ার জন্য টাইম নির্দিষ্ট থাকবে।

তিনি বলেন, মুম্বাই, সিঙ্গাপুর ও ইস্তাম্বুলে এ সিস্টেম রয়েছে। এভাবে কাজ করলে জালিয়াতি বা হয়রানির সুযোগ থাকবে না।

advertisement