advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সাতক্ষীরায় প্রশ্ন ফাঁস চক্রের ২১ জনকে ২ বছর করে কারাদ-

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা ও কলারোয়া প্রতিনিধি
২৫ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৫ মে ২০১৯ ০১:০৩
advertisement

সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নারীসহ ২৯ জনকে আটক করা হয়। পরে চক্রের পাঁচ হোতাসহ আটক ২১ জনকে দু’বছর করে বিনাশ্রম কারাদ- দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

র‌্যাব জানায়, আটকদের মধ্যে পাঁচজন হলেনÑ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার পরানখালি গ্রামের আহসান আলীর ছেলে আবদুল হালিম, সাতক্ষীরার কলারোয়ার ঝাপাঘাটা গ্রামের আবদুল আজিজের ছেলে জনতা ব্যাংকের একটি শাখার ব্যবস্থাপক আফতাবুজ্জামান, একই গ্রামের আবদুল আলিমের ছেলে শিক্ষক আমিরুল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলার চেউটিয়া গ্রামের আবদুল ওহাবের ছেলে কৃষি ব্যাংকের একটি শাখার ব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলাম, একই

উপজেলার কাকবাশিয়া গ্রামের রইছউদ্দীনের ছেলে শিক্ষক তরিকুল ইসলাম। এ পাঁচজন প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের হোতা।

র‌্যাব-৬ এর কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল নুরুস সালেহিন দুপুরে সাতক্ষীরার র‌্যাব ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলনে জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে কলারোয়া থানার পাশে সোনালি সুপার মার্কেটের কিডস কোচিং সেন্টারের ভেতরে ব্লাকবোর্ডে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের উত্তর লিখে দেওয়ার সময় ব্যাংক কর্মকর্তা আফতাবুজ্জামান ও স্কুলের শিক্ষক তরিকুল ইসলামসহ অনেক পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যমতে পাটকেলঘাটা থেকে আবদুল হালিমকে আটক করা হয়। হালিমই প্রশ্নপত্র ঢাকা থেকে মোবাইল ডিভাইসে এনেছিল। এ প্রশ্নপত্র সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে মূল প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করলে বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুর রহমান ২১ জনকে দুই বছর করে কারাদ- দেন। বাকি আটজন ছিলেন অভিভাবক। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ না পাওয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা সালেহীন আরও বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পেরেছি ঢাকায় বসে একটি চক্র ১২ লাখ টাকার চুক্তিতে তাদের কাছে প্রশ্ন ও উত্তর বলে দেবে। এ জন্য সিন্ডিকেটের হাতে অগ্রিম পাঁচ লাখ টাকা দিতে হয়েছে পরীক্ষার্থীদের। বাকি টাকা পরীক্ষা শেষে দেওয়ার কথা ছিল।

advertisement