advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কলেজে ভর্তির আবেদন করেনি আড়াই লাখ শিক্ষার্থী

২৫ মে ২০১৯ ০১:৪৭
আপডেট: ২৫ মে ২০১৯ ০৯:০২
advertisement

মাধ্যমিকে পাস করেও ২ লাখ ৪২ হাজার ৪২ শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তি হতে আবেদন করেনি। কারিগরি বাদে মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ১৬ লাখ ৫৭ হাজার ৮৬৭ শিক্ষার্থী পাস করে। আর ১২ থেকে ২৩ মে রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত কলেজে ভর্তি হতে অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করেছে ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮২৫ শিক্ষার্থী। এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. হারুন-আর-রশিদ।

জানা গেছে, এবার সব বোর্ডে মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ শিক্ষার্থী পাস করে। এর মধ্যে কলেজে ভর্তি হতে ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮২৫ শিক্ষার্থীর (কারিগরির ৯১ হাজার ২৯৮ জন বাদে) কাছ থেকে ৬২ লাখ ৪৯ হাজার ৮৬টি আবেদন জমা পড়েছে। অনলাইনে ৫৮ লাখ ৬২ হাজার ৯৫টি এবং এসএমএসের মাধ্যমে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯৫১টি আবেদন করে শিক্ষার্থীরা। এই হিসাবে এবার মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হয়েও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে আবেদন করেনি ২ লাখ ৪২ হাজার ৪২ শিক্ষার্থী, যা উত্তীর্ণের এক-সপ্তাংশ। আর এদের বেশিরভাগই ঝরে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বোর্ড কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে অধ্যাপক হারুন-আর-রশিদ বলেন, ‘যারা আবেদন করেনি তাদের অনেকেই ঝরে পড়বে। আবার কেউ কেউ দেশের বাইরে হয়তো পড়তে যাবে।’ তবে কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে কিছু শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তি হতে আবেদন করবে বলে মনে করছেন তিনি। ঢাকা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা অবশ্য বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা হলো-প্রথম ধাপে যারা আবেদন করে না, তাদের বেশিরভাগই ঝরে পড়ে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে হাতেগোনা কিছু শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তি হতে আবেদন করে।’

এবারও সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করতে পেরেছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীর মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি কলেজে তার অবস্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এবার ঢাকা বোর্ডের ৩ লাখ ৯৯ হাজার ১৯৫, রাজশাহীর ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৮২, কুমিল্লার ১ লাখ ৫৬ হাজার ৯৪৫, যশোরের ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৯৪, দিনাজপুরের ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৮, চট্টগ্রামের ১ লাখ ২২ হাজার ৩৬, ময়মনসিংহের ৯৬ হাজার ৫৪৩, সিলেটের ৮০ হাজার ১৬২, বরিশালের ৭৭ হাজার ৪২০ এবং মাদরাসা বোর্ডের ১ লাখ ২৮ হাজার ৮১৮ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তি হতে আবেদন করেছে।

২৪ থেকে ২৬ মের মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাই ও আপত্তি নিষ্পত্তি করা হবে। আর পুনঃনিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তন হবে তারা ৩ থেকে ৪ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে। পছন্দক্রম পরিবর্তন করা যাবে ৫ জুন। প্রথম পর্যায়ে ১০ জুন নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে। প্রথম তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের ১১ থেকে ১৮ জুন সিলেকশন নিশ্চয়ন (যে কলেজের তালিকায় নাম আসবে সেখানে যে ভর্তি হবে তা এসএমএসে নিশ্চিত) করতে হবে। এর পর ১৯ থেকে ২০ জুন দ্বিতীয় পর্যায় এবং ২৪ জুন তৃতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবেদন নিয়ে ২১ জুন দ্বিতীয় পর্যায় এবং তৃতীয় পর্যায়ের ফল প্রকাশ করা হবে ২৫ জুন।

 

advertisement