advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রাসায়নিকে পাকানো ২ হাজার কেজি আম ধ্বংস

২৫ মে ২০১৯ ০১:৫২
আপডেট: ২৫ মে ২০১৯ ০৮:৫১
advertisement

আমের ওপরের অংশ কাঁচা। আবার কাটলেই দেখা যায় হলুদ রঙ ধারণ করেছে। যে কেউ প্রথম দেখাতেই মনে করতে পারেন পাকা আম। আসলে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো এ আমের আঁটিও কাঁচা। আমের স্বাদও কাঁচা আমের মতোই। রাসায়নিকে পাকানো এ আম আড়তে মজুদ রেখে বিক্রি করছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা।

গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত রাজধানীর মিরপুর দিয়াবাড়ি আমের আড়তে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সময় এমন চিত্র দেখা যায়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাব ৪-এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিজাম উদ্দিন আহমেদ।

তিনি জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, গুটি আম গাছ থেকে পাড়া শুরু হয় ১৫ মে থেকে। সে হিসাবে গুটি আম বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু আমের মধ্যে সবচেয়ে সুস্বাদু ল্যাংড়া আমের প্রকৃত স্বাদ পেতে হলে অপেক্ষা করতে হবে ৬ জুন পর্যন্ত। আর মিষ্টি আম আম্রপালি ও ফজলি পাড়া শুরু হবে ১৬ জুন ও সর্বশেষ আশ্বিনা ১৭ জুলাই থেকে। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি লাভের আশায় অপরিপক্ব ল্যাংড়া আম নির্ধারিত সময়ের আগেই পেড়ে রাসায়নিকে পাকিয়ে বাজারজাত করছেন। কেমিক্যালে পাকানো আম মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

তিনি আরও জানান, অভিযানে ৬টি প্রতিষ্ঠান থেকে ২ হাজার কেজি ল্যাংড়াসহ অপরিপক্ব আম জব্দ করা হয়েছে। জব্দ আমের ওপরে কাঁচা কিন্তু ভেতরে পাকা। অথচ আঁটি নরম। এর কারণ আমে রাসায়নিকের প্রভাব। এটা ভোক্তা অধিকারের লঙ্ঘন। একে তো ভোক্তাকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, পাশাপাশি সঠিক পুষ্টিগুণও মিলছে না ক্রয়কৃত আমে। এ জন্য আমরা ৬টি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ করে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছি।

advertisement