advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ মামলায় শিক্ষক কারাগারে

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
২৫ মে ২০১৯ ১৬:৪৮ | আপডেট: ২৫ মে ২০১৯ ১৬:৪৮
প্রতীকী ছবি

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় বাপ্পা সেন নামের এক সহকারী শিক্ষককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে গতকাল শুক্রবার বাপ্পা সেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি জগন্নাথপুরের সৈয়দপুর ইউনিয়নের আইডিয়াল গার্লস স্কুলের (খণ্ডকালীন) সহকারী শিক্ষক এবং কলকলিয়া ইউনিয়নের খাসিলা গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথপুরের এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে ওই শিক্ষকের প্রেমের সর্ম্পক ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ মার্চ ওই ছাত্রীকে বেড়ানোর কথা বলে ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সামাদের বাড়িতে নিয়ে যান। এরপর শিক্ষক বাম্পা ও সামাদ তাকে গণধর্ষণ করে। ওই ছাত্রী এখন দুই মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা।

ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, ‘আমার অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে যারা সর্বনাশ করেছে, আমি তার বিচার চাই।’ 

এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার জগন্নাথপুর থানায় দুজনের নাম উল্লেখ করে  অজ্ঞাতনামা আরও একজনের নামে মামলা করেছেন বলেও জানান ওই ছাত্রীর বাবা।

স্কুলশিক্ষক বাপ্পা সেনের ভাই রিংকু সেন বলেন, ‘আমার ভাই ষড়ষন্ত্রের শিকার। তাকে ফাঁসানো হয়েছে।’

জগন্নাথপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নব গোপাল দাস বলেন, ‘মেয়েটির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে থানায় মামলা হয়েছে। এ মামলায় শুক্রবার ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে সুনামগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতেয়ার উদ্দিন জানান, মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। তবে এ ঘটনায় অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।