advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রয়োজন

২৬ মে ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ২৬ মে ২০১৯ ০৯:১৫
advertisement

স্কুলে আসা সব শিক্ষার্থীই উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করবে, এমনটা কখনো হওয়ার নয়। বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন কারণে কিছু কিছু ঝরে যাবে, এটি স্বাভাবিক। এখন নজর দিতে হবে ঝরে পড়াদের দিকে। তারা কী ধরনের দক্ষতা অর্জন করছে, তাদের ভবিষ্যৎ কীÑ সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।

গতকাল এক সাক্ষাৎকারে আমাদের সময়কে এসব কথা বলেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ। তিনি বলেন, মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষা থেকে ঝরে গেলে তারা অদক্ষ হিসেবে ঝরে যায়। তাদের দিনমজুর হওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। বর্তমান প্রেক্ষাপটে মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকে তেমন চাকরিও জোটে না। তিনি বলেন, পৃথিবীর সব দেশে সবার জন্য উচ্চশিক্ষা নয়। আমাদের দেশে এ ধ্যানধারণা রয়েছে যে, সবার জন্যই উচ্চশিক্ষা প্রযোজ্য। মোহাম্মাদ কায়কোবাদ প্রশ্ন রেখে বলেন, এ উচ্চশিক্ষায় কী হচ্ছে? তা হলে এত বেকার কেন?

তিনি বলেন, সমস্যা হলো, আমাদের লেখাপড়ার সঙ্গে কর্মের বিস্তর ফারাক। সবাইকে উচ্চশিক্ষায় না নিয়ে সর্বাধিক সংখ্যকের বৃত্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এখন সেটিই ভাবা উচিত। মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, যারা মাধ্যমিক স্তরেই ঝরে পড়ছে তারা যদি একটি বৃত্তিমূলক শিক্ষায় দক্ষ হতো, তা হলে নিজের কাজ জুটিয়ে নিতে পারত। অন্তত খেয়ে-পড়ে চলতে পারে। আমার তো দেখছি, এখন মাস্টার্স ডিগ্রি নিয়ে কোনো আয়-রোজগার করতে পারে না। আবার ভোকেশনাল থেকে ফ্রিজ মেকানিক্যাল পড়েও ভালো আয় করতে পারছে।

তিনি আরও বলেন, সবাই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হবে, এ ধারণা ভুল। সবার উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে হবে, এটিও ঠিক না। ঝরে পড়ছে দরিদ্রতার কারণে। এ দরিদ্রতা রোধ করতে প্রয়োজন দক্ষ জনবল। সুতরাং এমন শিক্ষা দিতে হবে, যেই শিক্ষা বাস্তব জীবনে সহায়ক হয়।