advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

তেরেসা মের উত্তরসূরি কে

আমাদের সময় ডেস্ক
২৬ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৬ মে ২০১৯ ০৮:৩৯
advertisement

ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হচ্ছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর থেরেসা মে পদত্যাগের ঘোষণার পর এটিই এখন সবচেয়ে আলোাচনার বিষয়। গত শুক্রবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় মে জানান তিনি জুনে পদত্যাগ করবেন।

এ ঘোষণা দেওয়ার পর মের স্থলাভিষিক্ত নিয়ে দেশটিতে শুরু হয়েছে তোড়জোড়। কারণ তার উত্তরসূরিই হবেন ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে থেরেসা মে বলেন, ৭ জুন কনজারভেটিভ পার্টিপ্রধানের পদ ছেড়ে দেব। তবে নতুন নেতা নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের কথা বলেন তিনি।

ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জুলাইয়ের মধ্যেই পার্টিপ্রধান নির্বাচনের কাজ সম্পন্ন হবে। দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতারাও মনে করছেন, জুলাই মাসের শেষ দিকে নতুন নেতা নির্বাচনের কাজ শেষ করা হবে। টরি দল থেকে ৭ জুন পদত্যাগের পর নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়ে কমিটির চেয়ারম্যানের সঙ্গে একমত হয়েছেন মে।

এখন পর্যন্ত মের উত্তরসূরি হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন এমন চার প্রার্থীর নাম নিশ্চিত করেছে বিবিসি অনলাইন। তারা হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট, আন্তর্জাতিক উন্নয়নমন্ত্রী ররি স্টুয়ার্ট, যুক্তরাজ্যের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন এবং সাবেক কর্ম ও পেনশনবিষয়ক মন্ত্রী ইস্থার ম্যাকভি। এ ছাড়া আরও ১০ থেকে ১২ জন প্রার্থী প্রতিযোগিতাকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই নিচ্ছেন।

যুক্তরাজ্যের কর্মসংস্থান ও পেনশনমন্ত্রী অ্যাম্বার রুড অবশ্য সম্ভাব্য তালিকা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। ব্রিটিশ দৈনিক টেলিগ্রাফকে বলেন, আমার মনে হয় না আমার এখনই সময় হয়েছে। ভবিষ্যতে জনসনের সঙ্গে কাজ করার ইঙ্গিত দিয়ে রুড বলেন, তার সঙ্গে এর আগেও কাজ করেছি। একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ভালো ছিল।

আরেক সম্ভাব্য প্রার্থী পরিবেশবিষয়ক মন্ত্রী মাইকেল গোভ নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেননি। দিনটিকে ‘প্রাইম মিনিস্টারস ডে’ বলে উল্লেখ করেছেন। যুক্তরাজ্যের অধিকাংশ নাগরিক অবশ্য ধারণা করছেন, বরিস জনসনই হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। টরি এমপিদের অনেকে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী পদপ্রত্যাশীদের নাম ১০ জুনের মধ্যেই জমা দিতে হবে। যে কেউ নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন।

প্রার্থীদের মধ্যে সর্বশেষ দুজন অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত ভোট দিতে থাকবেন দলের সদস্যরা। তাদের ভোটেই নির্বাচিত হবেন মে উত্তরসূরি। গত বছরের মার্চ পর্যন্ত কনজারভেটিভ দলের সদস্যসংখ্যা ১ লাখ ২৪ হাজার। সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত শেষ নেতা ছিলেন ডেভিড ক্যামেরন, তাও ২০০৫ সালে। ২০১৬ সালে নেতৃত্ব চলে যায় থেরেসা মের হাতে। এবারই প্রথম কনজারভেটিভ দলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করবেন সরাসরি।

তাতে অবশ্য আপত্তি জানিয়েছেন বিরোধী দলের এক নেতা। ডাউনিং স্ট্রিটে নিজের বিদায়ের কথা জানিয়ে থেরেসা মে বলেন, তিনি ব্রেক্সিট কার্যকর করতে পারেননি, এটি খুবই দুঃখজনক কথা। তবে নতুন প্রধানমন্ত্রী যিনি হবেন, তিনি দেশের সর্বোচ্চ স্বার্থে কাজ করবেনÑ এমনটিই আশা করি।

সুইজারল্যান্ডে এক অর্থনৈতিক সম্মেলনে অংশ নেওয়া বরিস জনসন জানান, নতুন প্রধানমন্ত্রীর হাতে সবকিছু ভিন্নভাবে শুরু করার সুযোগ থাকবে। ব্রেক্সিটের ব্যাপারে সম্মেলনে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ৩১ অক্টোবর আমরা ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ছেড়ে চলে আসছি, তাতে কোনো চুক্তি হোক বা না হোক পরোয়া করি না। ভালো চুক্তি পাওয়ার পূর্বশর্তই হলো কোনো চুক্তি না থাকা।

advertisement