advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শিক্ষা ও গবেষণা খাতে পৃথক বরাদ্দ প্রয়োজন

বিশ^বিদ্যালয় প্রতিবেদক
২৬ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৬ মে ২০১৯ ০৯:৩৭
advertisement

উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে আসন্ন বাজেটে শিক্ষা ও গবেষণা খাতে পৃথক পৃথক বরাদ্দ দেওয়া প্রয়োজন। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসির উদ্যোগে এক প্রাক-বাজেট সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন।

‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উচ্চশিক্ষায় বাজেট’ শীর্ষক এ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। ঢাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাবির উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান এবং সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ।

স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাবির উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সেমিনারের উদ্বোধন করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, জাতীয় বাজেট প্রণয়ন ও দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নাগরিকদের গঠনমূলক পরামর্শ বিবেচনা করা হবে। তিনি আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান।

সেমিনারে সমাজের চাহিদা অনুযায়ী গ্র্যাজুয়েট তৈরি, কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি, শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রস্তুত করা, বাজেটের সঠিক বাস্তবায়ন এবং অপচয় রোধে এপ্রিল-মার্চকে অর্থবছর নির্ধারণ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।