advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

তালতলীতে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ২৩

তালতলী প্রতিনিধি
২৬ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৬ মে ২০১৯ ০৮:৪৮
advertisement

বরগুনার তালতলী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন এবং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।

আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় সাতজনকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে লাউপাড়া বাজারে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী দলের উপজেলা সভাপতি রেজবী উল কবির জোমাদ্দার ও বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মনিরুজ্জামান মিন্টু নিজ নিজ সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করতে যান। গণসংযোগকালে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার এক পর্যয়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। বাজারে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সোনাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়।

অন্যদিকে রেজবী উল কবির জোমাদ্দারের চাচা উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ফজলুল হক জোমাদ্দারকে বহন করা মাইক্রো (ঢাকা মেট্রো-চ ১৩-৮২৯৭) গাড়িটি ভাঙচুর করে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২৩ জন আহত হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত মো. সফিকুর রহমান জোমাদ্দার, মো. ইলিয়াছ জোমাদ্দার, ইদ্রিস মোল্লা ও সুমন হাওলাদার এবং বিদ্রোহী প্রার্থী সমর্থক আনোয়ান হোসেন মৃধা, রাজু শরীফ ও মো. জাকারিয়াকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের তালতলী হাসপাতাল ও তালতলী উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনার জেরে তালতলী শহরে ওই দিন রাত সাড়ে আটটার দিকে ফের উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া হয়। এতে শহরের সর্বত্রই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তালতলী থানার ওসি (তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবির জানান, ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার শেষে থানার উদ্যোগে দুই প্রার্থীকে নিয়ে থানায় বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘন না করার জন্য উভয়কে নির্দেশ দিয়েছেন সহকারী পুলিশ সুপার (আমতলী-তালতলী সার্কেল) মো. নাজমুল হোসেন।