advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পোশাক শ্রমিকদের বাড়ি ফিরতে বাস ট্রেন ও লঞ্চ চায় বিজিএমইএ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৬ মে ২০১৯ ০৯:৩৫
advertisement

পোশাক শ্রমিকদের ঈদুল ফিতরে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার জন্য বিশেষ বাস, ট্রেন ও লঞ্চ বরাদ্দ চেয়েছে বিজিএমইএ। আগামী ৩ জুন এসব যানবাহন ছেড়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় সংগঠনটি। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেল মন্ত্রণালয় ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বিশেষ বরাদ্দ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাকশিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। এ দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় ৮৩ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্প খাত থেকে। এ শিল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২ কোটি শ্রমিক, কর্মচারী কর্মরত আছেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়, এ দেশের মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা অন্যতম বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ উদযাপন করার জন্য গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রাজধানী ছেড়ে যান। এদের মধ্যে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত প্রায় ৪৫ লাখ শ্রমিক হচ্ছে একটি বড় অংশ। প্রতিবছর ঈদের ছুটির আগে ঢাকা এবং আশপাশের এলাকার গার্মেন্টস কারখানাগুলো ছুটি দিলে বাস, ট্রেন এবং লঞ্চের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। ইতোমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ওই চাপ কমানোর লক্ষ্যে নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এ চাপ কমানোর লক্ষ্যে গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য অন্তত চারটি বিশেষ বাস, লঞ্চ ও চারটি বিশেষ ট্রেন বরাদ্দ দেওয়া বিশেষ প্রয়োজন।

বিজিএমইএর প্রস্তাবনায় বাস ছাড়ার বিষয়ে বলা হয় ৩ জুন বেলা ২, ৩, ৪ ও ৫টায় গাজীপুর, চৌরাস্তা থেকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোয় ছেড়ে যাওয়ার জন্য। চারটি বিশেষ ট্রেইনের বিষয়ে বলা হয়েছে, ৩ জুন বেলা ২টা, ৪টা ৬টা ও ৭টার সময় গাজীপুরের জয়দেবপুর রেলস্টেশন থেকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোর উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এছাড়াও বিশেষ ৪টি লঞ্চের বিষয়ে প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ৩ জুন বেলা ২টা, ৩টা, ৪টা ও ৫টায় সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে বরিশালসহ দেশের দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোর উদ্দেশে ছাড়ার জন্য।

জানতে চাইলে বিজিএমইএ সহসভাপতি এসএম মান্নান কচি বলেন, ঈদে শ্রমিক ভাই-বোনরা যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সে জন্য বিজিএমইএর পক্ষ থেকে বিশেষ যানবাহন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। এই সুবিধা পেতে বিজিএমএইএ সভাপতি ড. রুবানা হক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আশা করা যায় শ্রমিকদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবেন।