advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

১০ জুনের মধ্যে এমডিকে অপসারণ না করলে কঠোর আন্দোলন

ফুলবাড়ী প্রতিনিধি
২৭ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৭ মে ২০১৯ ০৯:৩৩

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) অপসারণসহ ৬ দফা দাবিতে গতকাল রবিবার সকাল ১০টায় খনি এলাকার দীঘিরপাড় মোড়ে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী। সমাবেশ থেকে আগামী ১০ জুনের মধ্যে কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) অপসারণসহ ৬ দফা দাবি পূরণ না হলে কঠোর আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তোলার আলটিমেটাম ঘোষণা করেছে ক্ষতিগ্রস্তদের সংগঠন বড়পুকুরিয়া জীবন ও সম্পদ রক্ষা কমিটি।

বড়পুকুরিয়া জীবন ও সম্পদরক্ষা কমিটির ব্যানারে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ মো. কালাম উদ্দিন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি মো. ইব্রাহিম খলিল। এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহসভাপতি মো. খাদেমুল ইসলাম, আলহাজ মো. রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, উপদেষ্টা সদস্য মো. সুলতান মাহমুদ মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, সদস্য মো. এনামুল হক, মো. শাহ পরান, মো. গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর ৬ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে কয়লাখনি সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যনাথপুর, বাঁশপুকুর ও চৌহাটি গ্রামবাসীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারকারী কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুর রহমানের অপসারণসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান, বাঁশপুকুর, বৈদ্যনাথপুর, চৌহাটির ঝুঁকিপূর্ণ ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা, বাঁশপুকুর, বৈদ্যনাথপুর ও চৌহাটি এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু সমাধান না করা পর্যন্ত কয়লা উত্তোলন বন্ধ রাখা, বড়পুকুরিয়া বাজারসংলগ্ন দেবে যাওয়া রাস্তা দ্রুত চলাচলের উপযোগী করা, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বন্ধ করার ষড়যন্ত্রকারী ম্যানেজার মো. মোশারফ হোসেনের দ্রুত অপসারণ এবং ক্ষতিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি প্রদান করা।

বড়পুকুরিয়া জীবন ও সম্পদ রক্ষা কমিটির সভাপতি মো. ইব্রাহিম খলিল ও সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এলাকাবাসীর সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা না করেই খনি কর্তৃপক্ষ বৈদ্যনাথপুর, বাঁশপুকুর ও চৌহাটি গ্রামের বসতিপূর্ণ এলাকার ১৫ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বিষয়গুলোর সমাধানের জন্য খনি কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরও কর্তৃপক্ষ কোনো সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছে না।

খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুর রহমান বলেন, খনির কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে খনি এলাকা সম্প্রসারণের জন্য ১৫ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে অন্তত এক থেকে দেড় বছর লেগে যাবে। খনি এলাকা সম্প্রসারিত হচ্ছে, বিষয়টি জানতে পেরে খনির বদলিকৃত কিছু কর্মকর্তার উসকানিতে ইব্রাহিম খলিলসহ তার লোকজন প্রস্তাবিত অধিগ্রহণের এলাকায় নিম্নমানের ইট, বালু ও খোয়া দিয়ে ইমারতের নির্মাণকাজ করছে, যাতে অধিগ্রহণের সময় তিন থেকে চার গুণ অর্থ আদায় করতে পারে। কিন্তু নির্মাণকাজ বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে।