advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সম্মাননা পেলেন ৯ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৭ মে ২০১৯ ০৯:৩১
advertisement

খেলনা পিস্তল দিয়ে বিমানের দুবাইগামী উড়োজাহাজ ছিনতাইচেষ্টা নস্যাতের ঘটনায় বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য ওই ফ্লাইটের ককপিট ও কেবিন ক্রুদের সম্মাননা দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। গতকাল বিমানের প্রধান কার্যালয় বলাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ক্যাপ্টেন ফারহাত হাসান জামিল তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে সম্মাননা পত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেন।

সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন-ক্যাপ্টেন মো. গোলাম শাফি, ফার্স্ট অফিসার মুনতাসির মাহবুব, পার্সার শাফিকা নাসিম নিম্মি, জুনিয়র পার্সার হোসনেয়ারা, ফ্লাইট স্টুয়ার্ডেস শরিফা বেগম রুমা, ফ্লাইট স্টুয়ার্ড সাহেদুজ্জামান সাগর, ফ্লাইট স্টুয়ার্ড মো. আবদুস সাকুর মোজাহিদ, অ্যাসিসট্যান্ট সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটর তপু বড়ুয়া ও সিনিয়র ডাটা প্রসেসিং অ্যাসিসট্যান্ট জহিরুল আলম চৌধুরী।

এ অনুষ্ঠানে বিমানের প্রধান কার্যালয়ের ডাটা সেন্টারে অগ্নি নির্বাপণে সাহসিকতাপূর্ণ অবদানের জন্য বিমানের দুই আইটি কর্মীকেও সম্মাননা দেওয়া হয়। বিমানের পরিচালক প্রশাসন জিয়াউদ্দীন আহমেদ, পরিচালক প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড লজিস্টিক সার্পোট মো. মমিনুল ইসলাম, পরিচালক পরিকল্পনা, বিক্রয় ও বিপণন কমোডর মাহবুব জাহান খাঁন, পরিচালক গ্রাহক সেবা আতিক সোবহান এবং চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার বিনিত সুদ, মহাব্যবস্থাপক জনসংযোগ শাকিল মেরাজসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে ১৪৮ যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বোয়িং-৭৩৭ উড়োজাহাজ। চট্টগ্রাম হয়ে রাতেই দুবাই পৌঁছানোর কথা ছিল উড়োজাহাজটির।

কিন্তু নির্ধারিত যাত্রাবিরতিতে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণের পরপরই অস্ত্রধারী এক যুবক বিমানটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে বলে কর্তৃপক্ষের ভাষ্য। প্রায় দুই ঘণ্টা পর কমান্ডো অভিযানে পিস্তলধারী ওই যুবক নিহত হন বলে সেনা ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা জানান। উদ্ধার করা পিস্তলটিকে বাংলাদেশে তৈরি প্লাস্টিকের খেলনা পিস্তল বলে জানায় সিআইডির ফরেনসিক বিভাগ।

advertisement