advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বেকসুর খালাস ১০ আসামি

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা
২৭ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৭ মে ২০১৯ ০১:১২
advertisement

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে মাদ্রাসাছাত্র মো. মারুফ হোসেনকে ৬ টুকরো করে হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ১০ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন খুলনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। গতকাল রবিবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নজরুল ইসলাম হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেন। নিহত মাদ্রাসাছাত্র মারুফ যশোর জেলার চৌগাছা থানার স্বর্পরাজপুর গ্রামের মো. মহিদুল ইসলামের ছেলে।

খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেনÑ যশোর জেলার চৌগাছা থানার স্বর্পরাজপুর গ্রামের মৃত আজেহার আলী ম-লের দুই ছেলে মো. হযরত আলী ম-ল (৫০) ও মো. সুলাইমান ম-ল (৪৫), হযরত আলী ম-লের দুই ছেলে মো. বিল্লাল হোসেন (৩০) ও মো. টুটুল ম-ল (২৮),

মো. গহরের ছেলে মো. আবুল বাশার (৩২), মো. নুর ইসলামের ছেলে মো. বাবু (২২), মো. ইশারত ম-লের ছেলে মো. ইকরামুল হোসেন (৩০), মো. মিজানুর রহমানের ছেলে আযাহারুল ইসলাম ওরফে বুড়ো (২৬), কালু বিশ্বাসের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৫) ও ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানার রঘুনাথপুর গ্রামের শমসের ম-লের ছেলে খলিল ম-ল (৪০)। রায় ঘোষণাকালে ৭ আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। বাকি তিনজন পলাতক ছিলেন।

মামলার বাদী নিহত মারুফের মা আবেরুন্নেছা জানান, আমরা ন্যায় বিচার পাইনি। আসামি আযাহারুল ইসলাম ওরফে বুড়ো আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে এ হত্যাকা-ে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেছে এবং অন্য জড়িতদের নাম প্রকাশ করেছে। এ ছাড়া লাশ ৬ টুকরো করার বিবরণও আদালতে স্বীকারোক্তিতে দেয় ওই আসামি। এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলেও সাংবাদিকদের জানান তিনি।

আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী ফকির মো. জাহিদুল ইসলাম নথির বরাত দিয়ে জানান, ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্বর্পরাজপুর যাওয়ার কথা বলে মহিদুল ইসলামের কিশোর ছেলে মো. মারুফ হোসেন বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। সারাদিন খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। সন্ধ্যার পর লোক মুখে জানা যায় মির্জাপুর গ্রামের হাসেম আলীর খেজুর বাগানে মাথাবিহীন হাত-পা কাটা মারুফের লাশ পড়ে আছে। এ ঘটনায় নিহতের মা মোছা. আবেরুন্নেছা বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ ও আরও অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরের বছরের ৮ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যশোর সিআইডি এসআই মো. তহিদুল ইসলাম এজহারভুক্ত ৭ আসামির সঙ্গে আরও ৩ জনকে সংযুক্ত করে ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট শেখ এনামুল হক ও এপিপি অ্যাডভোকেট শাকেরিন সুলতানা।

advertisement